📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মৌলভীবাজারে অবৈধ রিসোর্টের বন্যা: পাহাড়-টিলা ধ্বংস করে ২০০টিরও বেশি রিসোর্টের বৈধতা নেই

মৌলভীবাজারে অবৈধ রিসোর্টের বন্যা: পাহাড়-টিলা ধ্বংস করে ২০০টিরও বেশি রিসোর্টের বৈধতা নেই

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মৌলভীবাজারে অবৈধভাবে পাহাড়-টিলা কেটে গড়ে উঠেছে প্রায় ২০০টি রিসোর্ট। শ্রীমঙ্গলে ১০৩টি রিসোর্টের মধ্যে অনেকগুলোই বৈধতা ছাড়া, পরিবেশ ধ্বংসের ঘটনা চলছে। সরকারি তদারকি অনুপস্থিতিতে রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা আইন লঙ্ঘন করছে

মৌলভীবাজার জেলায় অবৈধভাবে পাহাড়-টিলা ও বনাঞ্চল ধ্বংস করে গড়ে উঠেছে প্রায় ২০০টি রিসোর্ট। এসব রিসোর্টের অধিকাংশই সরকারি দপ্তরগুলোর কাছে বৈধতা ছাড়া, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় শতাধিক রিসোর্টের মধ্যে অনেকগুলোই কেবলমাত্র তিন-চার কক্ষ নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে, যা রিসোর্টের নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মৌলভীবাজারে অবৈধভাবে ২০০টিরও বেশি রিসোর্টের বৈধতা নেই, যার মধ্যে শ্রীমঙ্গলে ১০৩টি রিসোর্ট রয়েছে
  • 📌 রাধানগর এলাকাতেই ৪০ থেকে ৪৫টি রিসোর্টের বৈধতা নেই, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করছে
  • 📌 স্থানীয়রা বহিরাগতদের কাছে জমি বিক্রি করে, তারা কক্ষ বানিয়ে রিসোর্ট নাম দিচ্ছেন, কিন্তু কোনো আইনি অনুমতি নেই
  • 📌 অনেক রিসোর্টে সিসি ক্যামেরা বা নৈশপ্রহরী নেই, মালিক নিজেই পরিচালনা করছেন
  • 📌 সরকারি দপ্তরগুলোর তদারকি অনুপস্থিতিতে রিসোর্টের সংখ্যা বাড়ছে, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে মাত্র ৬০টি রিসোর্টের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে

📰 বিস্তারিত

২০০৮ সালে বাংলাদেশ সরকার মৌলভীবাজারকে পর্যটন জেলা হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় রিসোর্ট ব্যবসার বিস্তার ঘটেছে। ২০১৩ সালে প্রথম পাঁচ তারকা মানের গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। তবে পরবর্তীতে বেপরোয়াভাবে পাহাড়-টিলা কেটে রিসোর্টের সংখ্যা বেড়েছে। এসব রিসোর্টের মধ্যে অনেকগুলোই বৈধতা ছাড়া, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করছে।

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সভাপতি ও গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্টের মালিক সেলিম আহমদ জানান, বেসরকারি একটি জরিপ অনুযায়ী মৌলভীবাজারে প্রায় ২০০টি রিসোর্ট রয়েছে। এদের মধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ১০০টিরও বেশি রিসোর্ট রয়েছে। তিনি বলেন, প্রকৃত অর্থে শ্রীমঙ্গলে মাত্র কয়েকটি রিসোর্ট আছে, যাদের রিসোর্ট বলা যায়। অনেকেই তিন-চার কক্ষ নিয়ে রিসোর্ট নাম দিয়ে চালিয়ে দিচ্ছেন।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) জাতীয় পরিষদের সদস্য আ স ম সালেহ সোহেল বলেন, বিভিন্ন সময় পাহাড়-টিলা ও বনাঞ্চল এলাকা কেটে রিসোর্ট বানানো হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রাণীদের আবাসস্থল ধ্বংস করে টিলার ওপর কেন রিসোর্ট বানানো হয়, তা জানতে চান। তিনি আরও বলেন, সরকারের উচিত এ-সংক্রান্ত একটি নীতিমালা তৈরি করা এবং রিসোর্ট তৈরির জন্য সরকারের অনেকগুলো দপ্তর থেকে অনুমতি নেওয়ার কথা থাকলেও কেউ তা পরোয়া করছেন না।

"মৌলভীবাজারের পর্যটনের উন্নতির কথা চিন্তা করেই গ্র্যান্ড সুলতানের মতো পাঁচ তারকা মানের রিসোর্টের যাত্রা শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন ক্যাটাগরির রিসোর্ট তৈরি হতে থাকে। আমরা সরকারের সব আইন মেনে রিসোর্ট পরিচালনা করছি। অথচ এখন দেখা যায়, বেপরোয়াভাবে রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। এসব রিসোর্ট কীভাবে হচ্ছে, কার অনুমতি নিয়ে হচ্ছে, তা তদারকি করা খুবই প্রয়োজন।"

মৌলভীবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাঈদুল ইসলাম বলেন, তাদের কাছে মাত্র ৬০টি রিসোর্টের ছাড়পত্র রয়েছে। যেসব রিসোর্ট ২০ কক্ষ বা তার অধিক, তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। বাকি রিসোর্টগুলো কার কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছে, তা তাদের জানা নেই।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মৌলভীবাজার জেলা, শ্রীমঙ্গল উপজেলা, রাধানগর এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সেলিম আহমদ (গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্ট মালিক), আ স ম সালেহ সোহেল (বাপা জাতীয় পরিষদের সদস্য), মাঈদুল ইসলাম (পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০টি রিসোর্ট (বৈধতা ছাড়া), ১০৩টি রিসোর্ট (শ্রীমঙ্গলে), ৪০-৪৫টি রিসোর্ট (রাধানগরে), ৬০টি রিসোর্ট (ছাড়পত্র পাওয়া), ২০ কক্ষ (ছাড়পত্রের শর্ত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖