📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের ইনানীতে বিরল মেঘলা চিতার সন্ধান: ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর আবিষ্কার

কক্সবাজারের ইনানীতে বিরল মেঘলা চিতার সন্ধান: ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর আবিষ্কার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানে গবেষণায় মেঘলা চিতার ছবি ধরা পড়েছে। এছাড়াও ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে বিপন্ন এশিয়ান হাতি ও বেঙ্গল স্লো লরিস। গবেষণায় ক্যামেরা ট্র্যাপ, পায়ের ছাপ ও বিষ্ঠার মাধ্যমে প্রাণীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়

কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানে এক বছরের গবেষণায় বিরল মেঘলা চিতার সন্ধান পাওয়া গেছে। এছাড়াও বনের মধ্যে ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিপন্ন প্রজাতির এশিয়ান হাতি, উল্লুক ও বেঙ্গল স্লো লরিস। গবেষণায় ব্যবহৃত ক্যামেরা ট্র্যাপের মাধ্যমে মেঘলা চিতার ছবি পাঁচবার ধরা পড়েছে, যা এই বিরল প্রাণীর অস্তিত্বের প্রথম বৈজ্ঞানিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেঘলা চিতার সন্ধান: ইনানীতে ক্যামেরা ট্র্যাপের মাধ্যমে মেঘলা চিতার ছবি পাঁচবার ধরা পড়েছে, পাশাপাশি পায়ের ছাপ ও বিষ্ঠার ১৩টি প্রমাণ পাওয়া গেছে
  • 📌 ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী: গবেষণায় ইনানীতে ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ১৯ প্রজাতির ছবি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে
  • 📌 গবেষণার সময়কাল: গবেষণা পরিচালিত হয় ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত, সাতটি নির্দিষ্ট ট্রানসেক্টে নিয়মিত জরিপ করা হয়
  • 📌 বিপন্ন প্রজাতির সন্ধান: এশিয়ান হাতি, উল্লুক, বেঙ্গল স্লো লরিসসহ বেশ কয়েকটি বিপন্ন প্রজাতির উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে
  • 📌 গবেষণার নেতৃত্ব: বাংলাদেশ বন বিভাগের বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারের পরিচালক বিপুল কৃষ্ণ দাস গবেষণার প্রধান গবেষক ছিলেন

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানে গবেষণায় মেঘলা চিতার সন্ধান পাওয়া গেছে। এই বিরল প্রাণীকে ইংরেজিতে ক্লাউডেড লেপার্ড বলা হয়। গবেষণায় জানা গেছে, ইনানীর বনে মোট ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর উপস্থিতি রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিপন্ন প্রজাতির এশিয়ান হাতি, পশ্চিমের উল্লুক, বেঙ্গল স্লো লরিসসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। গবেষণায় ব্যবহৃত হয়েছে ক্যামেরা ট্র্যাপ, পায়ের ছাপ, বিষ্ঠা, গাছের আঁচড়, সরাসরি দেখা এবং প্রাণীর ডাক শোনার মতো নানা পদ্ধতি।

গবেষণার প্রধান গবেষক বিপুল কৃষ্ণ দাস বাংলাদেশ বন বিভাগের বাংলাদেশ ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারের পরিচালক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাথে যুক্ত। তাঁর সহগবেষক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান এবং গবেষক অর্ণব সাহা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসের মোহাম্মদ জাসিমউদ্দিন ও বাবলা মহাজানও গবেষণায় অংশ নিয়েছেন। জার্মানির গটিঙ্গেন ইউনিভার্সিটির বন ও প্রকৃতি সংরক্ষণ নীতি বিভাগের প্রদীপ কুমার সরকারও গবেষণায় অংশগ্রহণ করেছেন।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল ফর নেচার কনজারভেশনে। গবেষণাপত্রের নাম "বাংলাদেশের খণ্ডিত ক্রান্তীয় বনভূমিতে স্তন্যপায়ী প্রাণীদের টিকে থাকা ও সংরক্ষণের অগ্রাধিকার"। গবেষণায় ইনানীর বনকে সাতটি নির্দিষ্ট ট্রানসেক্টে ভাগ করে দিনে দুবার হেঁটে জরিপ করা হয়। সকাল ৬টা থেকে ১০টা এবং বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। ক্যামেরায় কোনো টোপ বা খাবার ব্যবহার করা হয়নি, বরং প্রাণীদের স্বাভাবিক চলাফেরার সময় ছবি তোলা হয়েছে। মোট ১৫টি ক্যামেরা ৩২টি জায়গায় ব্যবহার করা হয়।

"মেঘলা চিতা গোপনে চলাফেরা করে এবং মূলত রাতের বেলায় সক্রিয় হয়। বেশির ভাগ সময় গাছের ওপরে থাকে। তাই বনের ভেতর দিয়ে চলাফেরা করলেও মানুষের চোখে পড়া বা ক্যামেরায় ধরা পড়া সহজ নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইনানী জাতীয় উদ্যান, কক্সবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিপুল কৃষ্ণ দাস (প্রধান গবেষক), মোহাম্মদ ফিরোজ জামান, অর্ণব সাহা, প্রদীপ কুমার সরকার, মোহাম্মদ জাসিমউদ্দিন, বাবলা মহাজান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৯ প্রজাতির ক্যামেরায় ধরা পড়া, ১৮ প্রজাতির সরাসরি বা পরোক্ষভাবে শনাক্ত, ১৫টি ক্যামেরা, ৩২টি জায়গায় ক্যামেরা ব্যবহার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖