📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস স্পিকার মাইক জন্সন আইএইচএস-এর বিকাশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, চীনের কাছে প্রযুক্তি অগ্রণীতা হারিয়ে যাওয়া জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করবে। একই সাথে মার্কিন রাজনীতির উভয় পক্ষ থেকে আইএইচএস নিয়ন্ত্রণের দাবি উঠছে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস স্পিকার মাইক জন্সন আইএইচএস-এর বিকাশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, চীনের কাছে প্রযুক্তি অগ্রণীতা হারিয়ে যাওয়া জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করবে। জন্সন বলেছেন, “আমরা আইএইচএস-এর বিকাশে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারি না। কারণ তাহলে আমরা চীনের কাছে পিছিয়ে পড়বো, এবং এটা প্রতিটি মার্কিন পরিবারের জন্য জাতীয় নিরাপত্তার মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।”
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মার্কিন হাউস স্পিকার মাইক জন্সন আইএইচএস বিকাশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করেছেন, চীনের কাছে প্রযুক্তি অগ্রণীতা হারিয়ে যাওয়ার ভয় দেখিয়েছেন।
- 📌 জন্সন বলেছেন, “আইএইচএস কোম্পানিগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সরকার তাদেরকে ধীরগতিতে যেতে বলার প্রয়োজন নেই। তারা যদি ধীরগতিতে যেতে চায়, তাহলে তারা নিজেই তা করতে পারে।”
- 📌 মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাক্তন উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আইএইচএস নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলেছেন।
- 📌 স্যান্ডার্স বলেছেন, “আইএইচএস-এর মাধ্যমে কোটি কোটি চাকরি নষ্ট হতে পারে এবং যুবকদের কর্মজীবনের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও, এই প্রযুক্তি মানুষের নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে পড়লে বিপর্যয়কর পরিণতি হতে পারে।”
- 📌 ট্রাম্প আইএইচএস-এর বিপদ সম্পর্কিত উদ্বেগকে “ভ্রান্ত মিথ” বলে মনে করেন এবং বলেছেন, “আইএইচএস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় হল একটি শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান প্রেসিডেন্ট!”
- 📌 জন্সন বলেছেন, তিনি ট্রাম্পের সাথে কথা বলেছেন এবং প্রধান আইএইচএস কোম্পানির নির্বাহীদের সপ্তাহের মধ্যে হোয়াইট হাউসে ডাকবেন।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস স্পিকার মাইক জন্সন আইএইচএস-এর বিকাশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, চীনের কাছে প্রযুক্তি অগ্রণীতা হারিয়ে যাওয়া জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করবে। জন্সন বলেছেন, “আমরা আইএইচএস-এর বিকাশে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারি না। কারণ তাহলে আমরা চীনের কাছে পিছিয়ে পড়বো, এবং এটা প্রতিটি মার্কিন পরিবারের জন্য জাতীয় নিরাপত্তার মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।”
জন্সন আরও বলেছেন, আইএইচএস কোম্পানিগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তিনি বলেছেন, “তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সরকার তাদেরকে ধীরগতিতে যেতে বলার প্রয়োজন নেই। তারা যদি ধীরগতিতে যেতে চায়, তাহলে তারা নিজেই তা করতে পারে।”
এই সময়ে, মার্কিন রাজনীতির উভয় পক্ষ থেকে আইএইচএস নিয়ন্ত্রণের দাবি উঠছে। মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাক্তন উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আইএইচএস নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলেছেন। স্যান্ডার্স বলেছেন, “আইএইচএস-এর মাধ্যমে কোটি কোটি চাকরি নষ্ট হতে পারে এবং যুবকদের কর্মজীবনের পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও, এই প্রযুক্তি মানুষের নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে পড়লে বিপর্যয়কর পরিণতি হতে পারে।”
স্যান্ডার্স আরও বলেছেন, “বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই প্রযুক্তি মানুষের নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে পড়লে বিপর্যয়কর পরিণতি হতে পারে। এছাড়াও, বিজ্ঞানীরা আইএইচএস ব্যবহার করে নতুন ভাইরাস তৈরি করেছেন, যা ভবিষ্যতে জীববৈজ্ঞানিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে এবং বিশ্বব্যাপী মহামারী সৃষ্টি করতে পারে, যা কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে।”
স্যান্ডার্স ট্রাম্পকে বলেছেন, তিনি চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং-এর সাথে তার পরবর্তী সাক্ষাত্কারে আইএইচএস বিকাশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি চুক্তি করার জন্য আলোচনা করবেন। ব্যানন বলেছেন, “আইএইচএস হল আমাদের সময়ের সংজ্ঞায়ক বিষয়। আমাদের এই প্রযুক্তির বিকাশ ধীর করতে হবে এবং এর ঝুঁকিগুলো বুঝতে হবে। আমি মনে করি, এই বিষয়টি রাজনৈতিক পার্টির সীমারেখা ছাড়িয়ে যেতে হবে।”
অপরদিকে, ট্রাম্প আইএইচএস-এর বিপদ সম্পর্কিত উদ্বেগকে “ভ্রান্ত মিথ” বলে মনে করেন। তিনি বলেছেন, “আইএইচএস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় হল একটি শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান প্রেসিডেন্ট!” তিনি আরও বলেছেন, “যে কেউ আইএইচএস জয় করে, সে জয় করে!”
জন্সন বলেছেন, তিনি ট্রাম্পের সাথে কথা বলেছেন এবং প্রধান আইএইচএস কোম্পানির নির্বাহীদের সপ্তাহের মধ্যে হোয়াইট হাউসে ডাকবেন। তিনি বলেছেন, আইএইচএস নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাধীন অডিটর এবং প্রযুক্তি বিকাশকারীদের মধ্যে স্বচ্ছতা প্রয়োজন।
"আমরা আইএইচএস-এর বিকাশে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারি না। কারণ তাহলে আমরা চীনের কাছে পিছিয়ে পড়বো, এবং এটা প্রতিটি মার্কিন পরিবারের জন্য জাতীয় নিরাপত্তার মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাউস স্পিকার মাইক জন্সন, সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, স্টিভ ব্যানন, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি (রekomendেড স্টোরিজের সংখ্যা), ১টি (সাক্ষাৎকারের সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!