📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১ লাখের বেশি শতবর্ষী জাপান: বিশ্বের সর্বোচ্চ বয়স্ক জনগোষ্ঠী ও তাদের গোপন জীবনধারা

১ লাখের বেশি শতবর্ষী জাপান: বিশ্বের সর্বোচ্চ বয়স্ক জনগোষ্ঠী ও তাদের গোপন জীবনধারা

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাপানে প্রথমবারের মতো শতবর্ষী জনসংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে (১,০৭,৬৭৭ জন)। বিশ্বের সর্বোচ্চ এই সংখ্যা, যেখানে ৮৮% নারী। তবে দীর্ঘায়ু সত্ত্বেও জাপান মুখোমুখি জনসংখ্যা সংকটে — ২০৭০ সালে জনসংখ্যা কমে ৮৭ মিলিয়নে দাঁড়াবে

জাপান বিশ্বের প্রথম দেশ যেখানে শতবর্ষী জনসংখ্যা এক লাখেরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে এই দ্বীপরাষ্ট্রে ১,০৭,৬৭৭ জন শতবর্ষী বাসিন্দা রয়েছে। এই সংখ্যা বিশ্বের সর্বোচ্চ এবং প্রথমবারের মতো এক লাখের বাইরে পৌঁছেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাপানে শতবর্ষী জনসংখ্যা ১,০৭,৬৭৭ জন — বিশ্বের সর্বোচ্চ
  • 📌 শতবর্ষীদের মধ্যে ৮৮% নারী — সবচেয়ে বয়স্ক নারী ১১৪ বছর বয়সী কিশিমোতো ফুয়ো
  • 📌 সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষ ১১২ বছর বয়সী কাতো হিকারু
  • 📌 জাপানের মোট প্রজনন হার ১.১৪ — জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখার প্রয়োজনীয় ২.১-এর চেয়ে অনেক কম
  • 📌 ২০৭০ সালের মধ্যে জনসংখ্যা কমে যাবে ৮৭ মিলিয়নে — ২০০৮ সালের ১২৮ মিলিয়ন থেকে ৩০% হ্রাস
  • 📌 বয়স্ক জনসংখ্যা ২০৭০ সালে মোট জনসংখ্যার ৪০% হবে — বর্তমানে ৩০%

📰 বিস্তারিত

জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শতবর্ষীদের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এই অর্জনের পেছনে রয়েছে জাপানিদের স্বাস্থ্যকর জীবনধারা। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, জাপানের রন্ধনশৈলীতে মাছ, শাকসবজি ও ভাতের প্রধানত্ব এবং পশ্চিমা খাদ্যাভ্যাসের তুলনায় কম সম্পৃক্ত চর্বি এই দীর্ঘায়ুর প্রধান কারণ। পাশাপাশি, বয়স্ক ব্যক্তিরাও নিয়মিত হাঁটেন, সাইকেল চালান এবং স্ট্রেচিং করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেনিচিরো উয়েনো এই অর্জনকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, চিকিৎসা ও প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, এই দীর্ঘায়ুর পাশাপাশি জাপান মুখোমুখি জনসংখ্যা সংকটের সম্মুখীন। গত বছর মোট প্রজনন হার রেকর্ড সর্বনিম্ন ১.১৪-তে নেমে এসেছে, যা জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখার প্রয়োজনীয় ২.১-এর চেয়ে অনেক কম।

জাতীয় জনসংখ্যা ও সামাজিক নিরাপত্তা গবেষণা ইনস্টিটিউটের অনুমান অনুযায়ী, ২০৭০ সালের মধ্যে জাপানের মোট জনসংখ্যা কমে ৮৭ মিলিয়নে দাঁড়াবে। এটি ২০০৮ সালের সর্বোচ্চ ১২৮ মিলিয়ন থেকে ৩০% হ্রাস। বর্তমানে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী বাসিন্দারা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ এবং ২০৭০ সালের মধ্যে তা প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এই প্রবণতাকে একটি অস্তিত্বের সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং নীরব জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।

জন্মহার বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও ভর্তুকি থাকা সত্ত্বেও, বিয়ের হার কমে যাওয়া, কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সন্তান লালন-পালনের বর্ধিত খরচের কারণে এই সংকট কাটছে না।

"চিকিৎসা ও প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে শতবর্ষী জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।"
"জাপানের দীর্ঘায়ু জীবনের গোপন রহস্য হলো স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং সক্রিয় জীবনধারা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাপান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিশিমোতো ফুয়ো (১১৪ বছর), কাতো হিকারু (১১২ বছর), স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেনিচিরো উয়েনো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১,০৭,৬৭৭ (শতবর্ষী জনসংখ্যা), ৮৮% (শতবর্ষী নারী), ১.১৪ (প্রজনন হার), ৮৭ মিলিয়ন (২০৭০ সালের জনসংখ্যা), ১২৮ মিলিয়ন (২০০৮ সালের জনসংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖