📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে ১০টি সাধারণ সাপের পরিচয়: কতটুকু বিষধর ও কোথায় থাকে?

বাংলাদেশে ১০টি সাধারণ সাপের পরিচয়: কতটুকু বিষধর ও কোথায় থাকে?

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ১০টি সাপের মধ্যে ৮০% বিষধর নয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফরিদ আহসান জানান, এদের মধ্যে কালনাগিনী, ঢোঁড়া ও লাউডগা বিষধর হলেও মানুষের জন্য খুবই হালকা বিপদজনক। আইইউসিএন বাংলাদেশের রেড লিস্টে ৮১ প্রজাতির সাপের বিবরণ রয়েছে

বাংলাদেশে প্রায়ই দেখা যায় এমন ১০টি সাপের মধ্যে ৮০ শতাংশ বিষধর নয়। সাপ দেখে মানুষের মধ্যে ভয় ও ভুল ধারণা প্রচলিত থাকলেও অনেক সাপই মানুষের বাসস্থান বা কৃষিজমির আশপাশে বসবাস করে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহসান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বাংলাদেশে মোট ১০৫ প্রজাতির সাপের মধ্যে ২৪টি প্রজাতির উপস্থিতি এখনো নিশ্চিত হয়নি। আইইউসিএন বাংলাদেশের ২০১৫ সালের রেড লিস্টে ৮১ প্রজাতির সাপের মূল্যায়ন করা হয়েছে, যার মধ্যে কিছু বিরল এবং নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশে ১০৫ প্রজাতির সাপের মধ্যে ২৪টি প্রজাতির উপস্থিতি এখনো নিশ্চিত নয়
  • 📌 বাংলাদেশে ৮০ শতাংশ সাপ বিষধর নয়, তবে কিছু প্রজাতি মানুষের জন্য হালকা বিপদজনক
  • 📌 ঢোঁড়া, লাউডগা ও কালনাগিনী সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, কিন্তু বিষধর নয় বা খুব হালকা বিষধর
  • 📌 ঘরগিন্নী, ঢোঁড়া ও লাউডগা মানুষের বাসস্থানের আশপাশে বসবাস করে
  • 📌 আইইউসিএন বাংলাদেশের রেড লিস্টে ৮১ প্রজাতির সাপের বিবরণ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

বিবিসি নিউজ বাংলা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের মধ্যে ঢোঁড়া, লাউডগা, কালনাগিনী, ঘরগিন্নী ও অন্যান্য প্রজাতির সাপ রয়েছে। এই সাপের মধ্যে ঢোঁড়া (জেনোক্রোফিস পিসকেটর) বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এর বৈজ্ঞানিক নাম জেনোক্রোফিস পিসকেটর, যা ইংরেজিতে চেকার্ড কিলব্যাক নামে পরিচিত। আইইউসিএন বাংলাদেশের রেড লিস্টে ঢোঁড়াকে 'লিস্ট কনসার্ন' বা অনুন্যতম সংকটাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই সাপের দেখা মেলে পুকুর, খাল, হ্রদ, ধীরগতির নদী, জলাভূমি, মাছের খামার ও ধানক্ষেতের মতো পানির কাছাকাছি পরিবেশে।

অধ্যাপক ফরিদ আহসান বলেছেন, ঢোঁড়া বিষধর নয়, তবে বিপদের মুখে পড়লে আত্মরক্ষার জন্য কামড় দিতে পারে। এর শরীর বাদামী রঙের, তার ওপর কালো ও হলুদ রঙের ছোপছোপ দাগ থাকে। অন্যদিকে, লাউডগা বাংলাদেশের পরিচিত বৃক্ষচারী সাপগুলোর একটি। এর বৈজ্ঞানিক নাম আহেটুলা নাসুটা ও আহেটুলা প্রসিনা। লাউডগা গাছের ডালপালা ও পাতার সঙ্গে সহজেই মিশে থাকতে পারে। এরা দিনের বেলায় বেশি সক্রিয় থাকে এবং বেশিরভাগ সময় গাছেই কাটায়। লাউডগা বিষধর না হলেও, অধ্যাপক আহসান বলেছেন, "চট করে কামড় দিয়ে ফেলে," বলছিলেন তিনি।

কালনাগিনী (ক্রাইসোপেলিয়া অর্নাটা) উজ্জ্বল রঙের কারণে সহজেই নজর কাড়ে। এটি গোখরা বা কেউটে গোত্রের সাপ নয়। কালনাগিনী মূলত বৃক্ষচারী এবং বনাঞ্চল, ঝোপঝাড়, বাগান ও গাছপালাসমৃদ্ধ এলাকায় দেখা যায়। এরা অত্যন্ত দক্ষভাবে গাছ বেয়ে ওঠে এবং শরীর চ্যাপ্টা করে বাতাসে ভেসে অন্য গাছে যেতে পারে। অধ্যাপক আহসান বলেছেন, "কালনাগিনী দেখতে খুব সুন্দর। এই সাপ খুবই হালকা বিষধর। তবে এখন পর্যন্ত ওই বিষে কোনো মানুষ মারা যায়নি।"

ঘরগিন্নী নামের সাপটি মানুষের বাসস্থানের আশপাশে দেখা যায়। এরা মূলত নিশাচর এবং ঘরের দেয়ালের ফাঁক, ইটের স্তূপ, পুরোনো ঘর, গাছের বাকল ও বসতবাড়ির আশপাশের আড়ালযুক্ত জায়গায় লুকিয়ে থাকে।

"চট করে কামড় দিয়ে ফেলে,"
"কালনাগিনী দেখতে খুব সুন্দর। এই সাপ খুবই হালকা বিষধর। তবে এখন পর্যন্ত ওই বিষে কোনো মানুষ মারা যায়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল (বন, ঝোপঝাড়, বাসস্থান, জলাশয়)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ফরিদ আহসান, মরিয়ম সুলতানা (বিবিসি নিউজ বাংলা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৫ প্রজাতির সাপ (মোট), ৮১ প্রজাতি (আইইউসিএন তালিকা), ২৪ প্রজাতি (অনিশ্চিত উপস্থিতি), ৮০ শতাংশ (বিষধর নয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖