📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১১ বছর বয়সী শিশু তানিয়া: ঢাকার বাড়িতে নির্যাতনের শিকার হয়ে শরীরজুড়ে ক্ষতবিক্ষত, বাবা চায় উন্নত চিকিৎসা

১১ বছর বয়সী শিশু তানিয়া: ঢাকার বাড়িতে নির্যাতনের শিকার হয়ে শরীরজুড়ে ক্ষতবিক্ষত, বাবা চায় উন্নত চিকিৎসা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে মেঝেতে শুয়ে আছে ১১ বছর বয়সী তানিয়া। ঢাকার একটি বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনের শিকার হয়ে তার শরীরজুড়ে ক্ষত চিহ্ন। বাবা বেলাল হোসেন চায় মেয়েটি উন্নত চিকিৎসা পায়

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের করল্যাছড়ি গ্রামের ১১ বছর বয়সী তানিয়া মেঝেতে শুয়ে আছে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে। তার শরীরজুড়ে ক্ষতচিহ্ন, মাথায় একাধিক সেলাই, পিঠে গভীর ক্ষত এবং পায়ের ক্ষতগুলোতে পচন ধরেছে। মাতৃহীন এই শিশুটি জানিয়েছে, ঢাকার মিরপুরের একটি বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে সে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১১ বছর বয়সী তানিয়া মিরপুরের একটি বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনের শিকার হয়ে শরীরজুড়ে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে।
  • 📌 তানিয়ার অভিযোগ: তাকে মারধর করা হতো, ঠিকমতো খাবার দেওয়া হতো না, শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হতো এবং দিনের বেশিরভাগ সময় টয়লেটে আটকে রাখা হতো।
  • 📌 বাবা বেলাল হোসেন জানান, ঢাকায় যাওয়ার পর একবারও মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি।
  • 📌 খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা রিপল বাপ্পী চাকমা বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে এবং বর্তমানে তার অবস্থা খুবই গুরুতর।
  • 📌 খাগড়াছড়ি সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিসবাহ উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল ঢাকা হওয়ায় এখানে মামলা নেওয়ার সুযোগ নেই।

📰 বিস্তারিত

তানিয়ার বাড়ি খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের করল্যাছড়ি গ্রামে। মা মারা গেছে প্রায় পাঁচ বছর আগে। অভাবের তাড়নায় বছর দেড়েক আগে ঢাকা শহরে অন্যের বাড়িতে কাজে দেন দিনমজুর বাবা বেলাল হোসেন। প্রথমে ফেনী শহরের ট্রাংক রোড বড় মসজিদসংলগ্ন এক নারীর বাসায় তানিয়াকে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে ওই নারী ঢাকায় তাঁর বোনের বাসায় পাঠান তানিয়াকে।

তানিয়া জানিয়েছে, ঢাকার মিরপুরের একটি বাড়িতে তাকে রাখা হয়েছিল। বাড়ির গৃহকর্তার নাম রাসেল এবং গৃহকর্ত্রীর নাম ছোটন। রাসেলের মিরপুরে ল্যাপটপের দোকান আছে এবং তাঁর স্ত্রী একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। তানিয়ার অভিযোগ, ওই বাড়িতে তাকে মারধর করা হতো। ঠিকমতো খাবার দেওয়া হতো না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হতো। দিনের বেশির ভাগ সময় তাকে টয়লেটে আটকে রাখা হতো। দেড় বছর ধরে মেয়েটি কীভাবে দিন কাটিয়েছে, সে খবর জানতেন না বাবা।

বাবা বেলাল হোসেন জানান, ঢাকায় যাওয়ার পর একবারও মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। পরে তিনি খবর পান তাঁর মেয়ে অসুস্থ। ফেনীর হাসপাতালে আছে। গত শুক্রবার তানিয়াকে খাগড়াছড়ির হাসপাতালে নিয়ে আসেন বেলাল। হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে তানিয়া এখন আর কিছুই চায় না। ক্ষীণ কণ্ঠে কেবল নিজের ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বিচারের দাবি তুলল সে। আর বাবা বেলালের একটাই আকুতি—মেয়েটা যেন বেঁচে থাকে, উন্নত চিকিৎসা পায়।

"ওই বাড়িতে আমাকে মারধর করা হতো, ঠিকমতো খাবার দেওয়া হতো না, শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হতো এবং দিনের বেশির ভাগ সময় টয়লেটে আটকে রাখা হতো।"

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা রিপল বাপ্পী চাকমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিশুটির ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা খুবই গুরুতর। তানিয়াকে বাঁচাতে হলে প্রয়োজন উন্নত ও জরুরি চিকিৎসা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতাল, মিরপুর (ঢাকা), ফেনী শহর, মাটিরাঙ্গা উপজেলা (খাগড়াছড়ি)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তানিয়া (১১), বাবা বেলাল হোসেন, রাসেল, ছোটন, রিপল বাপ্পী চাকমা, মিসবাহ উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর বয়স, দেড় বছর (নির্যাতনের সময়কাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖