📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শরীয়তপুরের দু’উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার পদ শূন্য, জমি-দলিল ব্যবসায়ীরা ভোগান্তিতে পড়ছে

শরীয়তপুরের দু’উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রার পদ শূন্য, জমি-দলিল ব্যবসায়ীরা ভোগান্তিতে পড়ছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শরীয়তপুর সদর ও ডামুড্যা উপজেলায় দেড় বছর ধরে সাব-রেজিস্ট্রার পদ শূন্য থাকায় জমি কেনাবেচা ও দলিল নিবন্ধনে ভোগান্তি হচ্ছে। দলিল লেখকদের কর্মহীনতা ও আর্থিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। জেলা রেজিস্ট্রার জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে

শরীয়তপুর জেলার সদর ও ডামুড্যা উপজেলায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে সাব-রেজিস্ট্রার পদ শূন্য থাকায় জমি কেনাবেচা ও দলিল নিবন্ধনের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এই দু’উপজেলার মানুষ, দলিল লেখক ও জমি ক্রেতা-বিক্রেতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অন্য উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যা সপ্তাহে মাত্র এক-দু’দিনের সীমিত সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শরীয়তপুর সদর ও ডামুড্যা উপজেলায় দেড় বছর ধরে সাব-রেজিস্ট্রার পদ শূন্য
  • 📌 সপ্তাহে মাত্র ১-২ দিনে দলিল নিবন্ধন করা হচ্ছে, বাকি দিনগুলোতে কার্যক্রম বন্ধ
  • 📌 দলিল লেখকদের কর্মহীনতা ও আর্থিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে
  • 📌 জমি ক্রেতা-বিক্রেতাদের জরুরি লেনদেন বিলম্বিত হচ্ছে
  • 📌 জেলা রেজিস্ট্রার জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে

📰 বিস্তারিত

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় জমি কেনাবেচার হার তুলনামূলক বেশি। কিন্তু নিয়মিত সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় জরুরি প্রয়োজনে জমি বিক্রি বা কিনতে গিয়ে অনেককে নির্ধারিত দিনের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অন্য উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি সপ্তাহে মাত্র দুই দিন আসেন, যার মধ্যে কেবল দলিল নিবন্ধনের সুযোগ মেলে। সদর উপজেলায় জমি কেনাবেচার হার বেশি হওয়ায় একজন নিয়মিত সাব-রেজিস্ট্রার থাকা অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে পদটি শূন্য থাকায় দলিল লেখকদেরও কাজের সংকট তৈরি হচ্ছে।

শরীয়তপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মো. সাগির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, অন্য উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার সপ্তাহে দুই দিন এসে দলিল রেজিস্ট্রি করেন। এতে জমির ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তি হচ্ছে। পাশাপাশি দলিল লেখকদেরও নিয়মিত কাজ করতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সমিতির সাবেক সভাপতি মো. নুরুল হক জানান, জেলা সদরে জমি কেনাবেচা বেশি হওয়ায় এখানে একজন নিয়মিত সাব-রেজিস্ট্রার থাকা অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে পদটি শূন্য থাকায় দলিল লেখকদেরও কাজের সংকট তৈরি হচ্ছে।

ডামুড্যা উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন সাগর জানান, দেড় বছরের বেশি সময় ডামুড্যাতে সাব-রেজিস্ট্রার পদ শূন্য রয়েছে। সপ্তাহে মাত্র এক দিন অন্য উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার এসে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে এ উপজেলার জমি কেনাবেচা ও দলিল নিবন্ধনে অনেককে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দলিল লেখক বাবুল বেপারী বলেন, সপ্তাহে দুই দিন কাজ হওয়ায় আগের মতো আয় হচ্ছে না। বাকি দিনগুলোতে বসে থাকতে হচ্ছে, যা পরিবার নিয়ে চলতে কষ্ট সৃষ্টি করছে।

জেলা রেজিস্ট্রার হেলেনা পারভীন জানান, শরীয়তপুর সদর ও ডামুড্যায় সাব-রেজিস্ট্রার পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

"অন্য উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার সপ্তাহে দুই দিন এসে দলিল রেজিস্ট্রি করেন। এতে জমির ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তি হচ্ছে। পাশাপাশি দলিল লেখকদেরও নিয়মিত কাজ করতে না পারায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শরীয়তপুর সদর উপজেলা, ডামুড্যা উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাগির হোসেন ভূঁইয়া (সভাপতি), মো. নুরুল হক (সাবেক সভাপতি), জসিম উদ্দিন সাগর (সাধারণ সম্পাদক), বাবুল বেপারী (দলিল লেখক), হেলেনা পারভীন (জেলা রেজিস্ট্রার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দেড় বছর (পদ শূন্য), সপ্তাহে ১-২ দিন (দলিল নিবন্ধন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖