📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাটোরের বড়াইগ্রামে চার বছর ধরে সরকারি গম সংগ্রহ ব্যর্থ: কৃষকরা বাজারে বিক্রি করছেন গম

নাটোরের বড়াইগ্রামে চার বছর ধরে সরকারি গম সংগ্রহ ব্যর্থ: কৃষকরা বাজারে বিক্রি করছেন গম

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় চলতি মৌসুমে সরকারি গম সংগ্রহ অভিযানে এক ছটাকও গম সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য বিভাগ। বাজারের চেয়ে কম দাম এবং জটিল নিয়মকানুনের কারণে কৃষকরা সরকারি গুদামে গম বিক্রি করছেন না। টানা চার বছর ধরে এই ব্যর্থতা চলছে।

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় চলতি মৌসুমে সরকারি গম সংগ্রহ অভিযান সম্পন্ন হলেও এক ছটাকও গম সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য বিভাগ। গত ৩১ আগস্ট শেষ হওয়া এই মৌসুমে সরকারি গুদামে কোনো গম পৌঁছানো যায়নি। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য ওএমএস কার্যক্রমে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত ৩ মে থেকে শুরু হওয়া গম সংগ্রহ মৌসুমে ৮২০ টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, কিন্তু কোনো গম সংগ্রহ হয়নি
  • 📌 বাজারে প্রতি মণ গম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, যেখানে সরকারি দর প্রতি কেজি ৩৬ টাকা
  • 📌 কৃষকরা সরকারি গুদামে গম বিক্রি না করার কারণ হিসেবে দামের পার্থক্য, জটিল নিয়মকানুন এবং আর্দ্রতার শর্ত উল্লেখ করছেন
  • 📌 টানা চার বছর ধরে (২০২৩, ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬) বড়াইগ্রামে সরকারি গম সংগ্রহ ব্যর্থ হয়েছে
  • 📌 বোরো ধান ও চাল সংগ্রহে শতভাগ সফলতা হলেও গম সংগ্রহে ব্যর্থতা অব্যাহত

📰 বিস্তারিত

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা খাদ্য বিভাগের সূত্রে জানা যায়, গত ৩ মে থেকে শুরু হওয়া গম সংগ্রহ মৌসুমে ৮২০ টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু সরকারি গুদামে কোনো গম পৌঁছানো যায়নি। এই ব্যর্থতা শুধু এ বছরই নয়, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালেও ঘটেছে। সরকারি দর প্রতি কেজি ৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাজারে প্রতি মণ গম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। এছাড়াও সরকারি শর্তের জটিলতা, বিশেষত আর্দ্রতার মাত্রা ১৪ শতাংশের মধ্যে রাখার বাধ্যবাধকতা কৃষকদেরকে সরকারি গুদামে গম বিক্রি থেকে বিরত রাখছে।

কৃষকদের মতে, বাজারে ১৮ শতাংশ আর্দ্রতা থাকলেও ব্যবসায়ীরা অনায়াসে গম কিনে নিচ্ছেন। মহসিন নামের এক কৃষক বলেন, ‘গুদামে গম নিয়ে গেলে গাড়িভাড়া, কুলি খরচ ও পরিমাপের ঝামেলার পেছনে মণপ্রতি আরও বাড়তি ৫০-৬০ টাকা খরচ হয়ে যায়। তাই লোকসান এবং হয়রানি এড়াতে সাধারণ কৃষকেরা খোলাবাজারেই গম বিক্রি করছেন।’ ঢুলিয়া গ্রামের গমচাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাজারে কোনো ঝামেলা ছাড়াই ভালো দামে নগদ টাকায় বিক্রি করা যায়। গুদামে যদি বাজারের চেয়ে মণপ্রতি এক-দেড় শ টাকা বাড়তি দাম দেওয়া হতো, তবে কৃষকেরা অবশ্যই সরকারি গুদামে যেতেন।’

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কাজী ডালিম জানান, ‘সরকারি দরের চেয়ে খোলাবাজারে দাম বেশি পাওয়ায় চাষিরা গুদামে গম বিক্রি করেননি। তবে অনলাইনে অ্যাপের মাধ্যমে সফলভাবে ৩৬৭ জন নিবন্ধিত কৃষকের মধ্যে ১৬৭ জনের কাছ থেকে ধান এবং চুক্তিবদ্ধ ৮টি অটো মিল ও ২২টি হাস্কিং মিল থেকে চাল সংগ্রহ শতভাগ সম্পন্ন করা হয়েছে।’

উপজেলা গম, ধান ও চাল সংগ্রহ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘টানা চার বছর ধরে উপজেলায় গম সংগ্রহের এই ব্যর্থতা, বাজারের প্রকৃত চিত্রসহ আগামীতে বাস্তবসম্মত দর নির্ধারণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’

"বাজারে কোনো ঝামেলা ছাড়াই ভালো দামে নগদ টাকায় বিক্রি করা যায়। গুদামে যদি বাজারের চেয়ে মণপ্রতি এক-দেড় শ টাকা বাড়তি দাম দেওয়া হতো, তবে কৃষকেরা অবশ্যই সরকারি গুদামে যেতেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বড়াইগ্রাম উপজেলা, নাটোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহসিন, রফিকুল ইসলাম, কাজী ডালিম, লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২০ টন (লক্ষ্যমাত্রা), ৩৬ টাকা (সরকারি দর), ১ হাজার ৭০০-৮০০ টাকা (বাজার দর), ৩১ আগস্ট (মৌসুম শেষ), ৩ মে (মৌসুম শুরু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖