📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাগেরহাটের ফকিরহাটে সরকারি মহিষ খামারে ৪২টি পদ শূন্য, ভেটেরিনারি সার্জন নেই ৪২ বছর ধরে

বাগেরহাটের ফকিরহাটে সরকারি মহিষ খামারে ৪২টি পদ শূন্য, ভেটেরিনারি সার্জন নেই ৪২ বছর ধরে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাগেরহাটের ফকিরহাটে অবস্থিত দেশের একমাত্র সরকারি মহিষ প্রজনন খামারে ৫২টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৪২টি শূন্য। প্রতিষ্ঠার ৪২ বছরেও ভেটেরিনারি সার্জনের কোনো পদ সৃষ্টি হয়নি, ফলে মহিষের স্বাস্থ্যসেবা ঝুঁকির মুখে রয়েছে

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার সরকারি মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারে ৪২ বছর পরও ভেটেরিনারি সার্জনের পদ সৃষ্টি হয়নি। এই বড় সংকটের কারণে খামারের ২৮০টি মহিষের স্বাস্থ্যসেবা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। খামারের কর্মকর্তারা জানান, ২০টি মহিষের মৃত্যুতে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে, কিন্তু এখনও কোনো স্থায়ী চিকিৎসক নিয়োগ করা হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাগেরহাটের ফকিরহাটে অবস্থিত সরকারি মহিষ প্রজনন খামারে ৫২টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৪২টি শূন্য
  • 📌 প্রতিষ্ঠার ৪২ বছরেও ভেটেরিনারি সার্জনের কোনো পদ সৃষ্টি হয়নি, ফলে মহিষের জরুরি চিকিৎসা বাইরে থেকে নিতে হয়
  • 📌 ২০২৪ সালের অক্টোবরে ২০টি মহিষ বিষক্রিয়ায় মারা যায়, ক্ষতি হয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা
  • 📌 খামারে বর্তমানে ২৮০টি মহিষ, এর মধ্যে ৪৪টি প্রতিদিন ১৩০ লিটার দুধ দেয়
  • 📌 ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৪১টি মহিষের বাছুর বিতরণ করা হয়েছে
  • 📌 বর্তমানে খামারে কর্মরত মাত্র ১০ জন, বাকি ৪২টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য
  • 📌 বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা ও সীমানাপ্রাচীর সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে

📰 বিস্তারিত

১৯৮৪-৮৫ অর্থবছরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত এই খামারটি দেশের মহিষের জাত উন্নয়ন ও দুধ-মাংস উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে গড়ে তোলা হয়। ৯৫ একরের এই খামারে বর্তমানে প্রায় ২৮০টি মহিষ রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪টি মহিষ প্রতিদিন প্রায় ১৩০ লিটার দুধ দিচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খামার থেকে ১০১টি খামারির মধ্যে ১৪১টি মহিষের বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ভারত থেকে উন্নত মুররাহ জাতের মহিষও খামারে আনা হয়েছে।

খামারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক শেখ আল মামুন বলেন, ‘খামারে একজন ভেটেরিনারি সার্জনসহ প্রয়োজনীয় জনবল জরুরি। এ ছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা থাকায় জেনারেটর এবং সীমানাপ্রাচীর সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।’

২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবরে মাঠে চরানো শেষে কয়েকটি মহিষ হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। পরে একে একে ২০টি মহিষ মারা যায়। খামার কর্তৃপক্ষের হিসাবে মৃত মহিষগুলোর মূল্য ছিল প্রায় অর্ধকোটি টাকা। প্রাথমিক তদন্তে প্রাকৃতিকভাবে নতুন গজানো ঘাসে বিষক্রিয়ায় মহিষের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছিল।

বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেব আলী বলেন, ‘মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারে একজন ভেটেরিনারি চিকিৎসক থাকা একান্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভেটেরিনারি সার্জনের পদ সৃজন বা কোনো চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়নি।’

"মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারে একজন ভেটেরিনারি চিকিৎসক থাকা একান্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভেটেরিনারি সার্জনের পদ সৃজন বা কোনো চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফকিরহাট উপজেলা, বাগেরহাট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ আল মামুন (সিনিয়র সহকারী পরিচালক), মোহাম্মদ সাহেব আলী (জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২টি অনুমোদিত পদ, ৪২টি শূন্য পদ, ২৮০টি মহিষ, ৪৪টি দুধদানকারী মহিষ, ১৩০ লিটার দুধ, ২০টি মৃত মহিষ, ১৪১টি বাছুর বিতরণ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖