📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশের শুল্ক সংস্কার: পরিকল্পিত ধাপে উত্তরণের দাবি পিআরআই সেমিনারে

বাংলাদেশের শুল্ক সংস্কার: পরিকল্পিত ধাপে উত্তরণের দাবি পিআরআই সেমিনারে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বব্যাংক ও পিআরআই-এর যৌথ সেমিনারে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের মতে, বাংলাদেশের বাণিজ্য নীতিতে শুল্ক সংস্কারের জন্য পরিকল্পিত ধাপে উত্তরণের দরকার। গড় শুল্কহার ২২ শতাংশ থাকলেও কিছু পণ্যে তা ৭০ শতাংশেরও বেশি। শুল্ক হ্রাসের সম্ভাব্য সুফল ও ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা হয়

বাংলাদেশের বাণিজ্য নীতির সামনে এলডিসি উত্তরণের আগে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো শুল্ক কাঠামো গড়ে তোলা, যা দেশীয় শিল্পকে অযথা সুরক্ষার আড়ালে রাখবে না এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মুখেও ফেলবে না। অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও ব্যবসায়ীদের মতে, এর জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট সময়সীমা, পূর্বানুমেয় নীতি এবং ধাপে ধাপে সংস্কার। রাজধানীর বনানীতে আজ মঙ্গলবার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই) ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সেমিনারে এসব বিষয় আলোচিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশের গড় শুল্কহার ১৫ শতাংশ, কিন্তু সম্পূরক ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কসহ মোট ২২ শতাংশ — কিছু পণ্যে শুল্কহার ৭০ শতাংশ পর্যন্ত (জুতা, চামড়া, পরিবহন যন্ত্রপাতি)।
  • 📌 শুল্ক কমালে ১০০ কোটি ডলার রাজস্ব হ্রাস হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ৪০০ কোটি ডলার মূল্য সংযোজন সম্ভব।
  • 📌 বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদ নোরা ডিহেল বলেন, শুল্কহার ৭ শতাংশের মতো হওয়া উচিত, কিন্তু বাস্তবে ২৮ শতাংশ।
  • 📌 সিপিডির ফাহমিদা খাতুন বলেন, মুক্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনা উচ্চাভিলাষী — প্রস্তুতি ও ক্ষমতা বৃদ্ধির দরকার।
  • 📌 সানেমের সেলিম রায়হান বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে শুল্ক বাড়ছে — তাড়াহুড়ো সংস্কার নিষিদ্ধ।
  • 📌 ব্যবসায়ী নেতারা আশঙ্কা করেন, শুল্ক কমালে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কর্মসংস্থান কমবে।

📰 বিস্তারিত

‘বাংলাদেশের বাণিজ্য নীতির সন্ধিক্ষণ: জাতীয় শুল্কনীতি, এলডিসি উত্তরণ ও আগামী প্রজন্মের বাণিজ্যচুক্তির প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক সেমিনারে বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদ নোরা ডিহেল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে গড় নামমাত্র শুল্কহার ১৫ শতাংশ, কিন্তু সম্পূরক ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কসহ মোট শুল্কহার ২২ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। বিশেষত জুতা, চামড়া ও পরিবহনের যন্ত্রপাতিতে শুল্কহার যথাক্রমে ৭০, ৬৭ ও ৩৬ শতাংশ। শুল্কহার কমালে স্বল্পমেয়াদে সরকারের রাজস্ব আয় কমতে পারে ১০০ কোটি ডলার, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ৪০০ কোটি ডলারের মূল্য সংযোজন সম্ভব।

অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো হিসেবে বলেন, মুক্ত বাণিজ্য থেকে অতিরিক্ত আয়ের সম্ভাবনা উচ্চাভিলাষী। তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রস্তুতি ও ক্ষমতা বৃদ্ধির দরকার। শুল্ক আয়ের ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়নি। শুল্ক হ্রাসের প্রভাবও পরীক্ষা করা উচিত ছিল।

সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে সংরক্ষণমূলক বাণিজ্য নীতি জোরদার হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শুল্কহার বাড়ছে, তাই তাড়াহুড়ো করে শুল্ক কমানোর প্রয়োজন নেই। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধাপে ধাপে সংস্কার করতে হবে।

গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র‌্যাপিড) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বলেন, জি-২০ দেশগুলো শুল্ক বাড়াচ্ছে। শুধু শুল্ক সুবিধা নয়, পণ্যের মান ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। পিআরআই চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার বলেন, বাংলাদেশের শুল্কহার ৭ শতাংশের মতো হওয়া উচিত, কিন্তু বাস্তবে ২৮ শতাংশ। শুল্ক কমানো না হলে শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু বাণিজ্যনীতি দিয়ে পরিস্থিতি উন্নত হবে না — নতুন পথ তৈরি করতে হবে। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদ বলেন, ১৯৯৭ সাল থেকে মুক্ত বাণিজ্যের কথা শোনা হলেও এখনো তা হচ্ছে না। আলোচনা দরকার।

"শুল্ক বেশি হলেও বিদেশিরা এখানে রপ্তানি করছে। তাদের প্রতিযোগী সক্ষমতা আরও বেশি। নতুন বাণিজ্যচুক্তি করার আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।"

এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন।

মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, শুল্ক কমালে অনেক ছোট ও মাঝারি কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থান ছাড়া প্রবৃদ্ধি চাই না। শুল্কহার ধাপে ধাপে কমানো উচিত। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, এলডিসি উত্তরণ ও মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির কথা শুনলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো চিন্তায় পড়ে যায়। তারা ব্যবসা হারানোর আশঙ্কা করে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী বনানী, পিআরআই কার্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নোরা ডিহেল (বিশ্বব্যাংক), ফাহমিদা খাতুন (সিপিডি), সেলিম রায়হান (সানেম), জায়েদি সাত্তার (পিআরআই), আহসান এইচ মনসুর (বাংলাদেশ ব্যাংক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫% (গড় শুল্কহার), ২২% (মোট শুল্কহার), ৭০% (জুতা শুল্ক), ১০০ কোটি ডলার (রাজস্ব হ্রাস), ৪০০ কোটি ডলার (মূল্য সংযোজন), ৭% (উপযুক্ত শুল্কহার), ২৮% (বাস্তব শুল্কহার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖