📌 ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাস হামলার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু নেতানিয়াহু তা উপেক্ষা করেন। বিরোধীরা এটিকে তার ব্যর্থতার প্রমাণ হিসেবে দেখছেন
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের রক্তক্ষয়ী হামলার কয়েকদিন আগেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে একটি গুরুতর সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা দেশটিতে রাজনৈতিক তরঙ্গ সৃষ্টি করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই দাবিকে মিথ্যা বলে খারিজ করলেও বিরোধীদলীয় নেতারা এটিকে নেতানিয়াহুর চরম ব্যর্থতার প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাস হামলার প্রায় দশ দিন আগে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুকে ফোন করে সতর্ক করেছিলেন
- 📌 সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল, হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার একটি রক্তক্ষয়ী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছেন
- 📌 নেতানিয়াহু জবাব দিয়েছিলেন, ইসরায়েল যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত
- 📌 বিরোধীদলীয় নেতারা দাবি করেছেন, নেতানিয়াহুর অজুহাত এখন ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে
- 📌 আগামী অক্টোবর মাসে নির্বাচনের আগে এই বিষয়টি নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
হারেৎজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৭ অক্টোবরের হামলার প্রায় দশ দিন আগে শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে ফোন করে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার একটি বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছেন, যা পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। কিন্তু নেতানিয়াহু শান্তভাবে জবাব দিয়েছিলেন যে, ইসরায়েল যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর ইসরায়েলের শীর্ষ বিরোধীদলীয় নেতা গাদি আইজেনকোট, নাফতালি বেনেট, আভিগডর লিবারম্যান এবং ইয়াইর গোলান এক যৌথ বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর ব্যর্থতা নিয়ে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট এই অবহেলাকে 'ফৌজদারি অপরাধের শামিল' বলে আখ্যা দিয়েছেন। আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াইর ল্যাপিডও দাবি করেছেন, নেতানিয়াহু যদি সঠিক সময়ে তার দায়িত্ব পালন করতেন, তবে এই ভয়াবহ ঘটনা এড়ানো যেত।
হামলার প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও নেতানিয়াহু স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি এড়িয়ে চলেছেন। বিরোধীরা বলছেন, গোয়েন্দা তথ্য থাকা সত্ত্বেও হামলার আগের রাতে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে ঘুম থেকে জাগাননি। কিন্তু নতুন এই প্রতিবেদনের পর বিরোধীরা জোরালোভাবে বলছেন, নেতানিয়াহুর ওই অজুহাত এখন ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে।
"হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার একটি বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছেন, যা পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ, ইয়াহিয়া সিনওয়ার, গাদি আইজেনকোট, নাফতালি বেনেট, ইয়াইর ল্যাপিড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর ২০২৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!