📅 ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হামের প্রাদুর্ভাবে ৯৯৯ জনের মৃত্যু: টিকাদান ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা প্রকাশ পায় বাংলাদেশে

হামের প্রাদুর্ভাবে ৯৯৯ জনের মৃত্যু: টিকাদান ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা প্রকাশ পায় বাংলাদেশে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে গত ১৭৮ দিনে ৯৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিনের টিকাদান ঘাটতি, রোগ শনাক্তকরণের সীমাবদ্ধতা এবং শিশুদের অপুষ্টির পেছনে কারণ দেখাচ্ছেন। সরকারের জরুরি টিকাদান কর্মসূচি সত্ত্বেও মৃত্যু বন্ধ হয়নি

বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে গত ১৭৮ দিনে ৯৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের টিকাদান ঘাটতি, রোগ শনাক্তকরণের সীমাবদ্ধতা, শিশুদের অপুষ্টি এবং সচেতনতার অভাব এই প্রাদুর্ভাবের পেছনে মূল কারণ। সরকারের জরুরি টিকাদান কর্মসূচি এবং চিকিৎসাব্যবস্থা জোরদার করার সত্ত্বেও মৃত্যু বন্ধ হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত ১৭৮ দিনে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে ৯৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৮৯৯ জনের মৃত্যু হামসদৃশ উপসর্গে এবং ১০০ জনের হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছিল।
  • 📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, হামে আক্রান্তদের ৭৯ শতাংশের বয়স ছিল পাঁচ বছরের কম, ৬৬ শতাংশের বয়স দুই বছরের কম এবং ৩৩ শতাংশের বয়স ছিল ৯ মাসের কম।
  • 📌 ১৫ মার্চ থেকে সরকার মৃত্যুর পরিসংখ্যান রাখতে শুরু করে। সেই থেকে মৃত্যুর সংখ্যা ধীরে ধীরে বেড়ে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯৯৯-এ পৌঁছেছে।
  • 📌 ১০০ থেকে ৬০০ মৃত্যুর সংখ্যা অতিক্রম করতে সময় লেগেছে প্রায় দুই মাস, কিন্তু ৭০০ ছাড়িয়ে যেতে মাত্র এক মাসের কম সময় লেগেছে।
  • 📌 টিকা না পাওয়া এবং অল্পবয়সী শিশুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। ডব্লিউএইচওর মতে, নিয়মিত টিকাদানের ঘাটতি এবং অতিরিক্ত টিকাদান অভিযানের অভাবের কারণে অরক্ষিত শিশুর সংখ্যা বেড়েছে।
  • 📌 ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য জরুরি টিকাদান শুরু হয় ৫ এপ্রিল ১৮টি জেলায় এবং ৩ মে দেশব্যাপী সম্প্রসারিত হয়।
  • 📌 হামে আক্রান্ত শিশুদের ৪৩ শতাংশের বয়স ছিল ৩ থেকে ৯ মাস এবং তাদের ৬৫ শতাংশ অপুষ্টিতে ভুগছিল।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ এবং মৃত্যুর ঘটনা স্বাধীনতার পর থেকে নথিভুক্ত হয়ে আসছে। তবে চলতি বছরের প্রাদুর্ভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, গত পাঁচ দশকের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের টিকাদান ঘাটতি, রোগ শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা, শিশুদের অপুষ্টি এবং হাম সম্পর্কে সচেতনতার অভাব এই প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ।

গত ১৫ মার্চ থেকে সরকার নিয়মিত মৃত্যুর পরিসংখ্যান রাখা শুরু করে। সেই থেকে এ পর্যন্ত হামসদৃশ উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ৮৯৯ জনের এবং হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছিল আরও ১০০ জনের। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯৯ জনে। এই মৃত্যুর বেশিরভাগই শিশুদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাদুর্ভাবের সময়ে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুকেও সামগ্রিক হিসাবের বাইরে রাখা যায় না, কারণ এই মৃত্যুগুলোও হামজনিত হওয়ার আশঙ্কা খুব বেশি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২৩ এপ্রিলের বিশ্লেষণে বলেছে, হামে আক্রান্তদের ৭৯ শতাংশের বয়স ছিল পাঁচ বছরের কম। ৬৬ শতাংশের বয়স দুই বছরের কম এবং ৩৩ শতাংশের বয়স ছিল ৯ মাসের কম। এই বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উপসর্গযুক্ত মৃত্যুর বেশির ভাগই ছিল টিকা না নেওয়া দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের শেষ দিকে এবং মে মাসে হামের প্রাদুর্ভাব তীব্র হয়ে ওঠে। ৩ এপ্রিল মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১০৩, ১৬ এপ্রিল তা বেড়ে ২০৬, ৪ মে ৩১১ এবং ১০ মে ৪০৯-এ পৌঁছায়। এরপর ২৩ মে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫১২, ৩ জুন ৬০১ এবং ২৬ জুন ৭০২। ২২ জুলাই মৃত্যুর সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়ে ৮০৩-এ ওঠে। ১৫ আগস্ট তা বেড়ে ৯০২-এ পৌঁছায়। সর্বশেষ ৮ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় ৫ এপ্রিল ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায়। পরে ৩ মে থেকে তা দেশব্যাপী সম্প্রসারিত হয়। ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের দ্রুত সুরক্ষার আওতায় আনা ছিল এই কর্মসূচির লক্ষ্য। তবে বয়সসীমার বাইরেও সংক্রমণ ছিল। জুনের শেষে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন করা হয়। ডব্লিউএইচও বলেছে, নিয়মিত কর্মসূচির মাধ্যমে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে এমআর টিকার দুই ডোজ দিতে হবে। জরুরি গণটিকাদান নিয়মিত কর্মসূচির বিকল্প নয়; এটি শুধু বাদ পড়া শিশুদের দ্রুত সুরক্ষায় সহায়ক।

"হামে আক্রান্ত শিশুদের পরিণতির ক্ষেত্রে টিকার ইতিহাসের পাশাপাশি বয়স ও পুষ্টিগত অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) গবেষণায় দেখা গেছে, হাসপাতালে ভর্তি ৩৫৪ জন হামে আক্রান্ত শিশুর ৪৩ শতাংশের বয়স ছিল ৩ থেকে ৯ মাস। তাদের ৬৫ শতাংশই অপুষ্টিতে ভুগছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশেষজ্ঞরা, শিশুদের, রোগতত্ত্ববিদরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯৯ জন মৃত্যু, ১৭৮ দিন, ৭৯ শতাংশ পাঁচ বছরের কম বয়সী, ৬৫ শতাংশ অপুষ্টিতে ভুগছিল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖