📅 ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রত্যন্ত গ্রামের এই মহিলা মাল্টা চাষে সফলতা পেলেন ‘মাল্টা ভাবি’ হিসেবে পরিচিতি পেয়ে

প্রত্যন্ত গ্রামের এই মহিলা মাল্টা চাষে সফলতা পেলেন ‘মাল্টা ভাবি’ হিসেবে পরিচিতি পেয়ে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনার চাটমোহর উপজেলার শারমিন খাতুন মাল্টা চাষে সফলতা পেয়ে ‘মাল্টা ভাবি’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। দুই বিঘা জমিতে গড়ে তোলা মাল্টা বাগান থেকে তিনি ৪ লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন। কৃষি কর্মকর্তারা তাঁকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং এলাকাবাসীর মধ্যে তাঁর উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে

পাবনার চাটমোহর উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দা শারমিন খাতুন মাল্টা চাষে সফলতা পেয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে ‘মাল্টা ভাবি’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। শুধু নিজের পরিবারের জীবিকা নিশ্চিত করতে নয়, তিনি নিজের উদ্যোগে মাল্টা চাষের মাধ্যমে কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পরিচয় গড়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাবনার চাটমোহর উপজেলার শারমিন খাতুন দুই বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ করে ‘মাল্টা ভাবি’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন
  • 📌 ভিয়েতনামি ও বারি-১ জাতের মাল্টা চাষে তিনি গত বছর ২ লাখ টাকা এবং এবার ৪ লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন
  • 📌 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কুন্তলা ঘোষের নেতৃত্বে তাঁকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং মাল্টা প্রদর্শনের পর এলাকার কৃষকরা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন
  • 📌 শারমিন আরও এক বিঘা জমিতে হলুদ বর্ণের মাল্টা চাষ শুরু করেছেন এবং এলাকাবাসীর মধ্যে তাঁর উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে
  • 📌 উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম ও সাইদুর রহমান সাঈদ তাঁকে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন

📰 বিস্তারিত

শারমিন খাতুনের মাল্টা চাষের সফলতা উপজেলা জুড়ে আলোচিত হয়ে উঠেছে। তিনি ২০২৩ সালের শেষের দিকে পাঁচ বছর মেয়াদি চুক্তিতে দুই বিঘা জমিতে ভিয়েতনামি ও বারি-১ জাতের মাল্টা বাগান গড়ে তোলেন। শুরুতে ফলন কম হলেও গত বছর বাগান ভরে যায় এবং তিনি ২ লাখ টাকা লাভ করেন। এ বছরও ফলের ভারে গাছ নুয়ে পড়েছে, ফলে তিনি ৪ লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন।

শারমিনের মাল্টা বাগান প্রত্যন্ত গ্রামেও দলে দলে মানুষের আকর্ষণ কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ চাষপদ্ধতি জানতে আসেন, কেউ লাভের হিসাব শুনতে। তাঁর মাল্টার আকার ও স্বাদ বিদেশি মাল্টার মতো এবং দামও কম হওয়ায় এর কদর অনেক। ইতিমধ্যে তিনি আরও এক বিঘা জমিতে হলুদ বর্ণের মাল্টা চাষ শুরু করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কুন্তলা ঘোষ বলেন, ‘শারমিন খাতুনের মতো উদ্যোগী কৃষকদের কৃষি অফিস বিশেষ যত্ন করে থাকে। আমরা তাঁকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। ফলের মেলায় তাঁর মাল্টা প্রদর্শনের পর অনেক কৃষক মাল্টা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। আশা করা যায়, উপজেলায় দিন দিন মাল্টা চাষ সম্প্রসারিত হবে।’

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, ‘শারমিন খাতুন মাল্টার বাগান করেছেন জানতে পেরে আমি নিয়মিত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখি। মাল্টার চাষ অন্য ফসলের চেয়ে ব্যতিক্রম হওয়ায় পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করি।’ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সাঈদ বলেন, ‘চাটমোহর উপজেলায় বেশ কয়েকটি মাল্টার বাগান গড়ে উঠলেও শারমিন খাতুন সফলতা পেয়েছেন। তিনি অনন্য। মূলত ভিয়েতনামি জাতের মাল্টায় সারা বছরই ফলন মেলে। তাই লাভ বেশি হয়।’

"শুরুর দিকে মাল্টার বাগান করা নিয়ে আশপাশের অনেকে কটাক্ষ করলেও তিনি থেমে যাননি। বরং এগিয়েছেন আরও উদ্যম নিয়ে। এভাবে তিনি সফল হয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাবনার চাটমোহর উপজেলা, ডিবিগ্রাম ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শারমিন খাতুন, কুন্তলা ঘোষ, আরিফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান সাঈদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ বিঘা জমি, ২ লাখ টাকা, ৪ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖