📅 ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রিকস নেতারা গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে একমত: নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান

ব্রিকস নেতারা গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে একমত: নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ব্রিকস নেতারা গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের বিরোধিতা করে 'নিউ দিল্লি ঘোষণা' জারি করেছেন। তারা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান, পারমাণবিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সমস্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন

ব্রিকস নেতারা গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের বিরুদ্ধে একমত হয়ে একটি ঐতিহাসিক ঘোষণা জারি করেছেন। এই ঘোষণায় তারা ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে বৈধতা দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছেন। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের প্রথম দিনে এই ঘোষণা গৃহীত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রিকস নেতারা গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার নীতির অবসান চেয়েছেন এবং তাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার রক্ষার দাবি করেছেন
  • 📌 ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান কেবল ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করে সম্ভব বলে ঘোষণা করা হয়েছে
  • 📌 অধিকৃত জেরুজালেমের আইনগত অবস্থান পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ব্রিকস একমত হয়েছে এবং সব ধর্মীয় স্থাপনার মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে
  • 📌 লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনীর ওপর হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা জানানো হয়েছে
  • 📌 পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকি কমাতে নিরস্ত্রীকরণ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে
  • 📌 আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থায় একতরফা শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ব্রিকস জোটের নেতারা সমালোচনা করেছেন

📰 বিস্তারিত

ব্রিকস নেতারা গাজায় ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পরও সহিংসতার অব্যাহত থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য অধিকার ক্ষুণ্ন করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয়। ব্রিকস নেতারা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের জন্য শান্তিপূর্ণ উপায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। তারা ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার দাবি করেছেন।

ব্রিকস নেতারা অধিকৃত জেরুজালেমের আইনগত ও ঐতিহাসিক অবস্থান পরিবর্তনের বিরুদ্ধে একমত হয়ে শহরটির সব ধর্মীয় স্থাপনার মর্যাদা রক্ষা এবং সবার নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার পালনের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী (ইউএনআইএফআইএল)–এর ওপর হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা করেছেন।

বিশ্বে বিভাজন ও অবিশ্বাস বাড়ছে বলে উল্লেখ করে ব্রিকস নেতারা সংঘাতের ঝুঁকি কমাতে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা সংঘাতের মূল কারণগুলো মোকাবিলা করে তা প্রতিরোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর সক্রিয় ভূমিকারও সমর্থন জানিয়েছেন ব্রিকস নেতারা।

পারমাণবিক সংঘাতের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ব্রিকস নেতারা নিরস্ত্রীকরণ, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বেসামরিক অবকাঠামো ও শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত পারমাণবিক স্থাপনায় ইচ্ছাকৃত হামলা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যুদ্ধের সময়ও পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

"ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য অধিকার ক্ষুণ্ন করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয়। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান কেবল ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করে সম্ভব"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নয়াদিল্লি (ভারত), গাজা (ফিলিস্তিন), লেবানন, জেরুজালেম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিকস নেতারা (ভারত, রাশিয়া, চীন, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, অন্যান্য সদস্য দেশ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ সেপ্টেম্বর (সম্মেলনের তারিখ), ১৩ সেপ্টেম্বর (প্রকাশনার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖