📅 ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুষ্টিয়া কয়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলা: ভাঙচুর ও মোটরসাইকেল পুড়িয়ে ক্ষতি সাড়ে সাত লাখ টাকা

কুষ্টিয়া কয়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলা: ভাঙচুর ও মোটরসাইকেল পুড়িয়ে ক্ষতি সাড়ে সাত লাখ টাকা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমানের বাড়ি ও সমর্থকদের দোকানে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় ভাঙচুর ও লুটপাট হয়। তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে সাড়ে সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়। মিজানুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপির নেতা কেরামত আলী ও তাঁর ছেলে মাসুদ রানা হামলায় জড়িত

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকদের বাড়িতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে কয়া ইউনিয়নের বাড়াদি গ্রামে এই ঘটনা সংঘটিত হয়। মিজানুর রহমান (৪০), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, এই হামলার প্রধান ভুক্তভোগী। তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুমারখালী উপজেলা কয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমানের বাড়ি ও সমর্থকদের দোকানে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় ভাঙচুর ও লুটপাট হয়।
  • 📌 তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে সাড়ে সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়।
  • 📌 মিজানুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপির ওয়ার্ড সহসভাপতি কেরামত আলী ও তাঁর ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মাসুদ রানা হামলায় জড়িত।
  • 📌 অভিযোগে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মিজানুর রহমান কুমারখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
  • 📌 বিএনপি নেতারা দাবি করেছেন, মিজানুর রহমানের সাথে ব্যক্তিগত বিরোধকে রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে।
  • 📌 ঘটনাস্থলে পুলিশ রাতেই পরিদর্শন করে মামলা প্রক্রিয়াধীন রাখা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মিজানুর রহমানের অভিযোগে, তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন। শুক্রবার রাতে কয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি কেরামত আলী ও তাঁর ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মাসুদ রানা এবং তাঁদের সমর্থকরা দেশি অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে মিজানুরের বাড়ি ও দোকানগুলিতে ভাঙচুর ও লুটপাট করেন। এছাড়াও তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেন। মিজানুরের সমর্থক হেদায়েত উল্লাহ জানান, স্থানীয় একটি ফুটবল খেলার উদ্বোধন শেষে মিজানুর ও তাঁর অনুসারীরা বাড়াদি নজরুল মোড়ে একটি দোকানে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন দেশি অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, রামদা ও চায়নিজ কুড়াল নিয়ে হামলা চালায়। তাঁরা ভয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

আরেকজন সমর্থক খোরশেদ আলম বলেন, তাঁর বাড়ির টিভি, ফ্রিজ, রাইস কুকার ও মাটির ব্যাংক ভাঙচুর করা হয়। এছাড়াও ৫২ হাজার টাকা এবং একটি সোনার হার চুরি করা হয়। তিনি দাবি করেন, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মিজানুরকে সমর্থন করার কারণে প্রতিপক্ষরা অন্তত তিনটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি যেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে না পারি, সে জন্য বিএনপির নেতা কেরামত আলী, তাঁর ছেলে মাসুদ রানা এবং তাঁদের সমর্থকরা দেশি অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছেন। তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে বড় ধরনের ক্ষতি করা হয়েছে। বিচারের আশায় থানায় এজাহার জমা দিয়েছি।’

বিএনপির নেতা কেরামত আলী ও তাঁর ছেলে মাসুদ রানা ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইউনুস আলী বলেন, মিজানুর আগে আওয়ামী লীগে ছিলেন। এখন দল পরিবর্তন করেছেন। তিনি দাবি করেন, মূলত ওয়ার্ড বিএনপির নেতা কেরামত আলীর সমর্থক ডাগু মন্ডলের সঙ্গে মিজানুরের নৌকা ভাঙা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তিনি মিজানুরকে অভিযোগ রাজনৈতিক রং দেওয়ার জন্য দায়ী করেন।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জানান, আধিপত্য বিস্তারের নামে ঘটনাস্থলে পুলিশ রাতেই পরিদর্শন করে। এ সংক্রান্ত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

"আমি যেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে না পারি, সে জন্য বিএনপির নেতা কেরামত আলী, তাঁর ছেলে মাসুদ রানা এবং তাঁদের সমর্থকরা দেশি অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কয়া ইউনিয়ন, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান (৪০), কেরামত আলী, মাসুদ রানা, হেদায়েত উল্লাহ, খোরশেদ আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন অভিযোগে, ৬ নম্বর ওয়ার্ড, ৫২ হাজার টাকা, সাড়ে সাত লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖