📌 জবি ছাত্রশক্তির ছয় সদস্যের আংশিক কমিটি—সভাপতি শাহীন মিয়া (ইতিহাস ২০২০-২১), সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখ (ম্যানেজমেন্ট ২০২০-২১)। অন্যরা: কামরুল হাসান, জিহাদুল ইসলাম, শাহিনুর রহমান, রাকিবুল ইসলাম। কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে কমিটি ঘোষণা। এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির ছয় সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিহাস বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহীন মিয়াকে সভাপতি ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের ফেরদৌস শেখকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান এই কমিটি ঘোষণা করেন। আগামী এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- সভাপতি: শাহীন মিয়া (ইতিহাস বিভাগ, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ)।
- সাধারণ সম্পাদক: ফেরদৌস শেখ (ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ)।
- জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি: কামরুল হাসান (মনোবিজ্ঞান, ২০২১-২২)।
- জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: জিহাদুল ইসলাম (বাংলা, ২০২২-২৩)।
- সাংগঠনিক সম্পাদক: শাহিনুর রহমান (২০২২-২৩) ও রাকিবুল ইসলাম (২০২৩-২৪)।
- মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান কমিটি ঘোষণা করেন।
- উপলক্ষ: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী—সভার শিরোনাম 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব'।
- লক্ষ্য: ইতিবাচক ছাত্ররাজনীতি প্রতিষ্ঠা, আবাসনসংকট দূর করা, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন, বৈষম্যহীন ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা।
- আগামী এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সভাপতি।
ছয় সদস্যের আংশিক কমিটি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির ছয় সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ইতিহাস বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহীন মিয়াকে সভাপতি ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের ফেরদৌস শেখকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। কমিটির অন্য চার সদস্য হলেন—জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কামরুল হাসান (মনোবিজ্ঞান, ২০২১-২২), জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম (বাংলা, ২০২২-২৩) এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান (২০২২-২৩) ও রাকিবুল ইসলাম (২০২৩-২৪)।
কমিটিতে প্রতিটি শিক্ষাবর্ষের প্রতিনিধিত্ব রাখা হয়েছে—২০২০-২১ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত। এটি সংগঠনের সব স্তরের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের একটি কৌশল বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে কমিটি ঘোষণা
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান এই কমিটি ঘোষণা করেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জবি ছাত্রশক্তি 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব' শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে। এই উপলক্ষ্যে কমিটি ঘোষণা করা তাৎপর্যপূর্ণ—কারণ ছাত্রশক্তি নিজেদেরকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্ফুলিঙ্গ থেকে উৎসারিত একটি সাংগঠনিক শক্তি হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে।
কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করা ও শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কাজ করার লক্ষ্যে এই কমিটি দেওয়া হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে এই কমিটি ঘোষণা সংগঠনের সামনে নতুন করে দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়—তাঁদেরকে আন্দোলনের চেতনা ধরে রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
নবনির্বাচিত নেতাদের প্রতিশ্রুতি
নবনির্বাচিত সভাপতি শাহীন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখ বলেছেন—বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিবাচক ছাত্ররাজনীতি প্রতিষ্ঠা এবং আবাসনসংকট দূর করাসহ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নে তাঁরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবেন। একটি বৈষম্যহীন ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসনসংকট একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা—ঢাকার কেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় এখানকার শিক্ষার্থীদের বাসস্থানের চাহিদা মেটানো কঠিন। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত হচ্ছে—যা শিক্ষার্থীদের কাছে একটি বড় হতাশার কারণ। নতুন কমিটি এই দুটি ইস্যুতে অগ্রাধিকার দেবে বলে জানিয়েছে।
আগামী এক মাসে পূর্ণাঙ্গ কমিটি
কমিটি ঘোষণার সময় কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান নবনির্বাচিত নেতাদের অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তিনি আগামী এক মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেন। এর অর্থ হল—বর্তমান ছয় সদস্যের আংশিক কমিটি এক মাসের মধ্যে আরও সদস্য যোগ করে সম্পূর্ণ কমিটিতে রূপান্তরিত হবে।
এক মাসের সময়কাল নির্ধারণ করার পেছনে কৌশলগত কারণ রয়েছে—এই সময়ের মধ্যে নতুন নেতারা তাঁদের ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবেন এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটির জন্য উপযুক্ত প্রার্থী চূড়ান্ত করবেন। এটি সংগঠনের ভেতরে একটি সুশৃঙ্খল নেতৃত্ব পরিবর্তন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করবে।
'বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিবাচক ছাত্ররাজনীতি প্রতিষ্ঠা এবং আবাসনসংকট দূর করাসহ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব। একটি বৈষম্যহীন ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।'—শাহীন মিয়া ও ফেরদৌস শেখ, নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জবি ছাত্রশক্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!