📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাতক্ষীরায় ঘেরের বেড়িবাঁধে সবজি-মাছ চাষ: কৃষকরা বাড়ছে আয় ও জমির ব্যবহার

সাতক্ষীরায় ঘেরের বেড়িবাঁধে সবজি-মাছ চাষ: কৃষকরা বাড়ছে আয় ও জমির ব্যবহার

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাতক্ষীরায় মাছের ঘেরের বেড়িবাঁধে সবজি চাষ করে কৃষকরা আয় বাড়াচ্ছেন। ২১৬৩ হেক্টর জমিতে এবছর চাষ হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। ঘেরের পানিতে মাছ ও বেড়িবাঁধে সবজি চাষের সমন্বিত পদ্ধতি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছে

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় মাছের ঘেরের বেড়িবাঁধে সবজি চাষের মাধ্যমে কৃষকরা আয় বাড়াচ্ছেন এবং জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছেন। এই সমন্বিত চাষ পদ্ধতিতে ঘেরের পানিতে চিংড়ি, রুই, কাতলা ও তেলাপিয়া মাছ চাষের পাশাপাশি বেড়িবাঁধে লাউ, কুমড়া, শসা, বরবটি, পুঁইশাক, ঢ্যাঁড়স ও বেগুন চাষ করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাতক্ষীরায় এবছর ঘেরের বেড়িবাঁধে ২১৬৩ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে, যা ২০২৩ সালের ৯৪০ হেক্টর ও ২০২৪ সালের ২০৭৭ হেক্টর থেকে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি
  • 📌 ঘেরের বেড়িবাঁধে হেক্টরপ্রতি ১৮ টন ফলন পাওয়ার ফলে কৃষকরা হেক্টরপ্রতি ৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আয় করছেন
  • 📌 তালা উপজেলার কলাগাছি গ্রামের কৃষক চঞ্চল রায় বলেছেন, ‘মাছ ও সবজি চাষের সমন্বিত পদ্ধতি দিয়ে দুইদিকে লাভ পাচ্ছি’
  • 📌 বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত তাপ ও জোয়ারের পানি কারণে কিছু কৃষকের সবজি রোদে পুড়ে নষ্ট হয়েছে, যেমন ঠাকুর মন্ডলের ৫ বিঘা জমির ফসল সম্পূর্ণ মারা গেছে
  • 📌 সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ বলেছেন, ‘মাছ চাষের খরচ সবিজ বিক্রি থেকে উঠে আসে, ফলে কৃষকের ইনভেস্টমেন্ট কমে যায়’

📰 বিস্তারিত

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রচলিত ফসল চাষ কঠিন হয়ে পড়েছে। এর প্রতিকারে কৃষকরা মাছের ঘেরের বেড়িবাঁধকে কাজে লাগিয়ে সবজি চাষ শুরু করেছেন। সাতক্ষীরার শ্যামনগর, কালিগঞ্জ, আশাশুনি, তালা, দেবহাটা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই চাষ পদ্ধতি দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

তালা উপজেলার কলাগাছি গ্রামে দেখা যায়, ঘেরের চারপাশের বেড়িবাঁধে বাঁশের মাচা দিয়ে লাউ, কুমড়া ও শসার লতা ঝুলিয়ে চাষ করা হয়েছে। বেড়িবাঁধের নিচে ঘেরের পানিতে চিংড়ি, রুই, কাতলা ও তেলাপিয়া মাছ চাষ করা হচ্ছে। কৃষক চঞ্চল রায় বলেন, ‘আগে শুধু মাছ চাষ করতাম, কিন্তু বারবার লস হত। এখন ঘেরের বেড়িবাঁধে সবজি চাষ করছি। দুইদিকে ভালো লাভ পাচ্ছি’।

অন্যদিকে, ধর্ম রায়ের মতো কৃষকরা ঘেরের চারপাশের জমিতে সবজি চাষ করে মোটামুটি লাভ করছেন। তিনি বলেন, ‘ঘের থেকে মাছ বিক্রি করি, বাঁধের সবজিও বিক্রি হয়। এ বছর সবজিতে ২০ হাজার টাকা খরচ হলেও ৫০ হাজার টাকা আয় হয়েছে’। তবে ঠাকুর মন্ডলের মতো কৃষকদের জন্য বর্ষা মৌসুমের অতিরিক্ত তাপ ও জোয়ারের পানি চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘৫ বিঘা জমিতে ৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও ফসল বিক্রি করেছি মাত্র ১০ হাজার টাকা। সব মারা গেছে’।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ বলেন, ‘ঘেরের বেড়িবাঁধে সবজি চাষ দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি এবং বীজ সরবরাহ করছি। কৃষকদের নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে সাহায্য করছি’। তিনি আরও বলেন, ‘মাছ চাষের খরচ সবিজ বিক্রি থেকে উঠে আসে, ফলে কৃষকের ইনভেস্টমেন্ট কমে যায় এবং লাভ বাড়ে’।

"মাছের ঘেরের বেড়িবাঁধে সবজি চাষ করে আমরা দুইদিকে লাভ পাচ্ছি। আগে শুধু মাছ চাষ করতাম, কিন্তু বারবার লস হত। এখন সমন্বিত পদ্ধতি দিয়ে আয় বাড়ছে"
"বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত তাপ ও জোয়ারের পানি কারণে সবজি রোদে পুড়ে নষ্ট হয়েছে। ৫ বিঘা জমিতে ৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও ফসল বিক্রি করেছি মাত্র ১০ হাজার টাকা। সব মারা গেছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাতক্ষীরা জেলা (তালা উপজেলার কলাগাছি গ্রাম, শ্যামনগর, কালিগঞ্জ, আশাশুনি, দেবহাটা, সদর উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চঞ্চল রায়, ধর্ম রায়, ঠাকুর মন্ডল, কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১৬৩ হেক্টর (চাষিত জমি), ১৮ টন (ফলন), ৫ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা (হেক্টরপ্রতি আয়), ৯৪০ হেক্টর (২০২৩), ২০৭৭ হেক্টর (২০২৪)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖