📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপে জি-৭ দেশগুলো জরুরি মজুতে ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সরবরাহ সংকটের কারণে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি সরবরাহে হুমকির মুখে জি-৭ দেশগুলো জরুরি মজুতে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সরবরাহ সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার লাগাম টানতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) জি-৭ দেশগুলোর বৈঠকে একমত হয় এই বিষয়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জি-৭ দেশগুলো ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল জরুরি মজুতে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাম্পের চাপে
- 📌 ৪০ কোটি ব্যারেল ছাড়ার পূর্ববর্তী উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই নতুন পদক্ষেপ
- 📌 চার মাস ধরে চলবে এই তেল-ডিজেল ছাড়ার প্রক্রিয়া
- 📌 আগামী ২০ দিনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল ছাড়ার কথা বলা হয়েছে
- 📌 ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এই পদক্ষেপ
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপে জি-৭ দেশগুলো জরুরি মজুতে ১০ কোটি ব্যারেল তেল ও ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সরবরাহ সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার লাগাম টানতে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) জি-৭ দেশগুলোর বৈঠকে এই বিষয়ে একমত হয়। একই সঙ্গে এই দেশগুলো থেকে জ্বালানি তেল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
এই পদক্ষেপের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোকে নিজেদের জ্বালানি মজুত ছাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। কারণ, মার্কিন ডিজেলের ওপর ইউরোপের নির্ভরশীলতা দিন দিন বাড়ছে। ট্রাম্পের এই চাপাচাপি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে করা হয়েছে। ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার লাগাম নির্বাচনের আগেই টানতে চাইছেন তিনি।
জি-৭ দেশগুলোর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা একে অপরের বিরুদ্ধে জ্বালানি ও জ্বালানি-জাতীয় পণ্যের রফতানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ থেকে বিরত থাকবে। জি-৭ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্স। ইউরোপীয় ইউনিয়নও তাদের বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এরই মধ্যে পূরণ করা প্রতিশ্রুতিগুলো বিবেচনায় নিয়ে আমরা আইইএর মাধ্যমে সমন্বিতভাবে ১০ কোটি ব্যারেল ছাড়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব।’
জ্বালানি তেল ছাড়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে এবং চার মাস ধরে চলবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। ঐকমত্যের ভিত্তিতে আগামী ২০ দিনের মধ্যে জি-৭ দেশগুলো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডিজেল ছাড়বে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। তবে এই ১০ কোটি ব্যারেলের মধ্যে কতটা অপরিশোধিত তেল এবং কতটা ডিজেল থাকবে, তার বিস্তারিত জানানো হয়নি।
"ইউরোপ তাদের বিপুল পরিমাণ মজুত ডিজেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে।"
মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের আগের কথায় বলা হয়েছিল, জ্বালানির দাম বাড়ার পুরো বোঝা যেন মার্কিন কৃষক, ট্রাকচালক ও ব্যবসায়ীদের ওপর না পড়ে। তবে এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে ডিজেলের দাম বেড়ে যেতে পারে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জি-৭ দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কোটি ব্যারেল তেল-ডিজেল, ৪০ কোটি ব্যারেল (পূর্ববর্তী উদ্যোগ), ৭টি দেশ, ২০ দিন, ৪ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!