📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন সিজিপিএ ৩.৯০ পেয়ে বিভাগে প্রথম হলেও সেশনজটের কারণে প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন সিজিপিএ ৩.৯০ পেয়ে বিভাগ ও অনুষদে প্রথম স্থান অধিকার করলেও সেশনজটের কারণে প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন। শিক্ষাবর্ষের ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘ বিলম্বের দায়ে তিনি প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে সিজিপিএ ৩.৯০ পেয়ে বিভাগে প্রথম হন, কিন্তু স্বর্ণপদক পাননি
- 📌 ফার্মেসি বিভাগের সেশনজটের কারণে তার ফলাফল ২০২৬ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত হওয়ায় স্বর্ণপদকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি
- 📌 শিক্ষার্থী দাবি: অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের তুলনায় ফার্মেসি বিভাগের ফলাফল প্রকাশে বিলম্বের কারণে তিনি সুযোগ থেকে বঞ্চিত
- 📌 জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. বাবলী সাবিনা আজহার বলেছেন, ২০২৩-২০২৫ সালের মধ্যে সালভিত্তিক প্রথম হওয়া শিক্ষার্থীদেরই স্বর্ণপদক দেওয়া হয়
- 📌 শিক্ষার্থী ড. মাসুদ রানারকে ফোন করলেও তিনি যোগাযোগ করেননি
📰 বিস্তারিত
আবদুল্লাহ আল মামুন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ফার্মেসি বিভাগে অনার্স পরীক্ষায় ৩.৯০ সিজিপিএ পেয়ে বিভাগ ও অনুষদে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তবে ফার্মেসি বিভাগের সেশনজট ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তার শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিলে শেষ হয়। ফলাফল প্রকাশিত হয় ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। অন্যদিকে অন্যান্য বিভাগের ফলাফল নির্ধারিত সময়ে প্রকাশিত হওয়ায় সেসব বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বর্ণপদকের জন্য বিবেচিত হয়েছেন।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘বিভাগীয় সেশনজট বা প্রশাসনিক জটিলতার দায় শিক্ষার্থীদের ওপর বর্তানো উচিত নয়। একজন শিক্ষার্থী যেন তাঁর মেধা ও ফলাফলের ভিত্তিতে প্রাপ্য স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত না হন’। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. বাবলী সাবিনা আজহার ও ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি ড. মাসুদ রানারকে সাক্ষাত্কার করেছেন। তবে ড. মাসুদ রানারকে ফোন করলেও তিনি যোগাযোগ করেননি।
জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. বাবলী সাবিনা আজহার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এখানে সেশনের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি। ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের মধ্যে যারা সংশ্লিষ্ট বছরে সালভিত্তিক প্রথম হয়েছেন, তাদেরই নির্বাচিত করা হয়েছে। আবদুল্লাহ আল মামুন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের হলেও তার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। এ কারণে তিনি এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি’।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ বলেছেন, ‘এ বিষয়ে আমি একটি চিঠি পেয়েছি। তবে আমি দায়িত্ব গ্রহণ করেছি মাত্র দুই দিন হলো। তাই বিষয়টি সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব’।
"বিভাগীয় সেশনজট বা প্রশাসনিক জটিলতার দায় শিক্ষার্থীদের ওপর বর্তানো উচিত নয়। একজন শিক্ষার্থী যেন তাঁর মেধা ও ফলাফলের ভিত্তিতে প্রাপ্য স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত না হন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ফার্মেসি বিভাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল মামুন, ড. বাবলী সাবিনা আজহার, ড. মাসুদ রানার, ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সিজিপিএ ৩.৯০, শিক্ষাবর্ষ ২০১৯-২০২০, ২০২৬ সালের এপ্রিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!