📌 মিশিগানের ১২তম কংগ্রেস আসনে ৭২ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন রাশিদা তালিব। তিনি মার্কিন ইতিহাসে প্রথম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত কংগ্রেস সদস্য এবং গাজার গণহত্যা সমালোচনার জন্য পরিচিত। দরিদ্র অভিবাসী পরিবারে জন্মগ্রহণ করে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন
মিশিগানের ১২তম কংগ্রেস আসনে ৭২ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে পঞ্চম মেয়াদে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন রাশিদা তালিব। তিনি মার্কিন ইতিহাসে প্রথম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত কংগ্রেস সদস্য হিসেবে ইতিহাস রচনা করেছেন। ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী রাশিদা ২০১৮ সাল থেকে কংগ্রেস সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই নির্বাচনে তিনি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী জেমস হুপারকে ৪৮ শতাংশেরও বেশি ব্যবধানে পরাজিত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৭২ শতাংশ ভোটে জয়**: মিশিগানের ১২তম কংগ্রেস আসনে রাশিদা তালিব ৭২ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে পঞ্চম মেয়াদে নির্বাচিত হন।
- 📌 **মার্কিন ইতিহাসের প্রথম ফিলিস্তিনি কংগ্রেস সদস্য**: তিনি মার্কিন কংগ্রেসের ইতিহাসে প্রথম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
- 📌 **গাজার গণহত্যার সমালোচক**: রাশিদা ইসরায়েলের গাজায় গণহত্যার কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত।
- 📌 **দরিদ্র অভিবাসী পরিবারের মেয়ে**: ১৪ ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় রাশিদা মিশিগানের ডেট্রয়েটে ফিলিস্তিনি অভিবাসী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- 📌 **মুসলিম পরিচয় নিয়ে লড়াই**: তিনি নিজের ভাষায় বলেছেন, ‘আমি আমার দুই ছেলের জন্য নির্বাচন করছি, যাঁদের মুসলিম পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।’
📰 বিস্তারিত
৫০ বছর বয়সী রাশিদা তালিবের জন্ম মিশিগানের ডেট্রয়েটে। তিনি ১৪ ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড়। তাঁর বাবা হারবি এলাবেদ পূর্ব জেরুজালেমের এবং মা ফিলিস্তিনের অভিবাসী। বাড়িতে আরবি ভাষায় কথা বলা হতো, ইংরেজি ছিল তাঁর দ্বিতীয় ভাষা। শৈশবে দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে ওঠা রাশিদা ছোট ভাই-বোনের দেখাশোনা করতেন। তাঁর বাবা-মা দুজনই ফোর্ড মোটর কোম্পানির কারখানায় শ্রমজীবী ছিলেন।
রাশিদা ১৯৯৮ সালে ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক এবং ২০০৪ সালে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি আইনজীবী হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমালোচনা করার জন্য একটি রিপাবলিকান নির্বাচনী সভায় তাঁকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।
রাশিদা ২০১৮ সালে কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বলেছেন, ‘আমি অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য নির্বাচন করেছি। আমাদের ছেলেদের জন্য করেছি, যাঁদের মুসলিম পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।’ গাজার গণহত্যার সমালোচনার জন্য তাঁকে সহকর্মীদের তিরস্কারও হতে হয়েছে।
"আমি সবার জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা একজন মা। আমি অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য নির্বাচন করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র (ডেট্রয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশিদা তালিব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ শতাংশ (ভোট), ১২তম কংগ্রেস আসন, ১৪ ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!