📌 যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলায় চুরির টাকা ভাগাভাগি দেখে ফেলায় জুয়েল রানা (৪০) নামের যুবককে মারধর করে হত্যা করা হয়। নিহতের স্ত্রী মায়া বেগম জানান, অভিযুক্তরা তাকে পাশের বাগানে নিয়ে গিয়ে মারধর করে পায়ের রগ কেটে দিয়েছিল। হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার আগেই নিহত হন জুয়েল রানা
যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলায় চুরির টাকা ভাগাভাগি দেখে ফেলায় এক যুবককে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টার দিকে ঘটে যাওয়া এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে নিহত হন জুয়েল রানা (৪০)। তিনি স্থানীয় ওদুদ খন্দকারের ছেলে এবং গ্রামে গ্রামে কসমেটিকস বিক্রি করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুরির টাকা ভাগাভাগি দেখে ফেলায় জুয়েল রানা (৪০)কে মারধর করে হত্যা করা হয়
- 📌 অভিযুক্তরা তাকে পাশের বাগানে নিয়ে গিয়ে মারধর করে পায়ের রগ কেটে দিয়েছিল
- 📌 নিহতের স্ত্রী মায়া বেগম জানান, তাকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে তাকেও বাধা দেওয়া হয়
- 📌 হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার আগেই জুয়েল রানাকে মৃত ঘোষণা করা হয়
- 📌 মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে জুয়েল রানা স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে চা খেতে যান। সেখানে একই এলাকার ইউসুফ, কাশেম ও বাবুসহ আরও ৫-৬ জন ব্যক্তি চুরির টাকা ভাগাভাগি করছিলেন। বিষয়টি জুয়েল রানা দেখে ফেললে অভিযুক্তরা তাকে জোরপূর্বক পাশের একটি বাগানে নিয়ে গিয়ে মারধর শুরু করে। নিহতের স্ত্রী মায়া বেগম জানান, তিনি তার স্বামীকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে তাকেও বাধা দেওয়া হয়।
এরপর চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার কথা বলে অভিযুক্তরা জুয়েল রানাকে পার্শ্ববর্তী একটি দোকানের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে তার দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয় এবং হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয় বলে মায়া বেগম অভিযোগ করেন। স্থানীয়দের সহায়তায় মুমূর্ষু অবস্থায় জুয়েল রানাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মুবাশ্বির হাসান পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার মুবাশ্বির হাসান জানান, নিহত জুয়েল রানার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং অতিরিক্ত আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
"আমার স্বামীকে মারধর করে পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। আমি তাকে বাঁচাতে গেলে আমাকেও বাধা দেওয়া হয়।" — মায়া বেগম, জুয়েল রানার স্ত্রী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চৌগাছা উপজেলা, যশোর, মুক্তাদা গ্রাম, পাতিবিলা ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুয়েল রানা (৪০), মায়া বেগম, ইউসুফ, কাশেম, বাবু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫-৬ জন অভিযুক্ত, ১১ জুন (তারিখ), ১১ টা (ঘণ্টা), ১০ টা (সকাল), ১২ টা (বেলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!