📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩১ বছর শিক্ষকতা জীবনের শেষে ফুলে সাজানো গাড়িতে বিদায়: টাঙ্গাইল কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যাপক

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম খান
৩১ বছর শিক্ষকতা জীবনের শেষে ফুলে সাজানো গাড়িতে বিদায়: টাঙ্গাইল কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যাপক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইল সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়া ৩১ বছর শিক্ষকতা জীবনের ইতি টানেছেন। ফুল দিয়ে সাজানো গাড়িতে বিদায় দেওয়া হয় তাঁকে। কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন ২৮ জন শিক্ষকের মধ্যে তিনি অন্যতম

৩১ বছর শিক্ষকতা জীবনের শেষে টাঙ্গাইল সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়া ফুল দিয়ে সাজানো গাড়িতে বিদায় পেয়েছেন। কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। আজ বৃহস্পতিবার কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক বিদায় সংবর্ধনায় তাঁকে সম্মানিত করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টাঙ্গাইল সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়া ৩১ বছর শিক্ষকতা জীবনের ইতি টানেছেন
  • 📌 ১৯৯৫ সালে কলেজ প্রতিষ্ঠার পরপরই তিনি ইসলাম শিক্ষা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং ২০০৩ সালে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান
  • 📌 কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন ২৮ জন শিক্ষকের মধ্যে তিনি অন্যতম; তাঁর অবদান প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে
  • 📌 ফুল দিয়ে সাজানো গাড়িতে তাঁকে বিদায় দেওয়া হয়; গ্রামবাসীরা সাজানো গাড়ি দেখতে ভিড় করেন
  • 📌 বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ছোট ভাই চিকিৎসক হাফিজুর রহমান, উপাধ্যক্ষ এস এম জাকির হোসাইন ও কলেজের অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তা

📰 বিস্তারিত

৩১ বছর শিক্ষকতা জীবনের শেষে টাঙ্গাইল সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সহকারী অধ্যাপক আবদুল হান্নান মিয়া ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে যান। কলেজের অধ্যক্ষ এম এ রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তাঁর ছোট ভাই চিকিৎসক হাফিজুর রহমান, উপাধ্যক্ষ এস এম জাকির হোসাইন, সহকারী অধ্যাপক এম ওয়াজেদ আলী, মো. ফারুক হোসেন, মুহাম্মদ আবদুল আলীম, আহাম্মদ আলী মিয়া, নজরুল ইসলাম খান ও রফিকুল হক বাদল বক্তব্য রাখেন।

১৯৯৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কলেজ প্রতিষ্ঠার পরপরই আবদুল হান্নান মিয়া ইসলাম শিক্ষা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। আট বছর পরে তিনি সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে তাঁর ভূমিকা অনন্য। অধ্যক্ষ এম এ রউফ বলেন, ‘স্যার খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁকে রাজকীয় বিদায় দিতে পারিনি, তবে ফুল দিয়ে একটি গাড়ি সাজিয়ে তাঁকে বিদায় জানাচ্ছি।’

উপাধ্যক্ষ এস এম জাকির হোসাইন জানান, ‘কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন ২৮ জন শিক্ষকের মধ্যে আবদুল হান্নান স্যার অন্যতম। তাঁর অবদান কলেজ প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য ছিল।’ স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী আলেয়া আফরোজ বলেন, ‘আমি উচ্চমাধ্যমিকেও এই কলেজে পড়েছি। স্যার ক্লাসে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে পড়াতেন। একবার না বুঝলে বারবার বুঝিয়ে দিতেন। টানা চার বছর তাঁর কাছে পড়েছি। তাঁর অনুপস্থিতি ভাবতে কষ্ট হচ্ছে।’

অনুষ্ঠান শেষে ফুল দিয়ে সাজানো গাড়িতে করে আবদুল হান্নান মিয়াকে বিদায় দেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের সহকর্মীকে বিদায় জানাতে গিয়ে অনেক শিক্ষক আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। বিকেল চারটার দিকে তিনি টাঙ্গাইল দেলদুয়ার উপজেলার নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান। সাজানো গাড়ি দেখতে গ্রামবাসীরা ভিড় করেন। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাকে যথেষ্ট সম্মান দিয়েছে। এই সম্মান আমি কোনো দিন ভুলব না।’

"আমি উচ্চমাধ্যমিকেও এই কলেজে পড়েছি। স্যার ক্লাসে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে পড়াতেন। একবার না বুঝলে বারবার বুঝিয়ে দিতেন। টানা চার বছর তাঁর কাছে পড়েছি। স্যার আর আমাদের পড়াবেন না, এ কথা ভাবে খুবই কষ্ট হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজ, টাঙ্গাইল দেলদুয়ার উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল হান্নান মিয়া (সহকারী অধ্যাপক), আলেয়া আফরোজ (শিক্ষার্থী), এম এ রউফ (অধ্যক্ষ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ বছর (শিক্ষকতা জীবন), ২৮ জন (প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক), ১৯৯৫ (কলেজ প্রতিষ্ঠা), ৪ সেপ্টেম্বর (আবদুল হান্নান মিয়া যোগদান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖