📌 গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুলে শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার পর ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ভিডিওর মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে
গোপালগঞ্জের একটি সরকারি স্কুলে শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার পর ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুলে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার পর ৯ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে
- 📌 ঘটনাটি ৬ অক্টোবর দুপুরে শ্রেণিকক্ষে সংঘটিত হয়েছিল, ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল
- 📌 তদন্ত কমিটি প্রধান সহকারী শিক্ষক মো. ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের ছিল
- 📌 প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউল হক জানান, ঘটনার সময় তিনি নামাজে ছিলেন, পরে গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছিল
📰 বিস্তারিত
গত ৬ অক্টোবর দুপুরে টিফিনের পর গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুলের অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়েছিল। ঘটনাটি ঘটার পর শিক্ষার্থীরা ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে পোস্ট করলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনার পরদিন ৭ অক্টোবর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সহকারী শিক্ষক মো. ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।
তদন্ত কমিটি বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ এবং ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পর্যালোচনা করে গতকাল বুধবার প্রধান শিক্ষকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারী শিক্ষক ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউল হক জানান, ঘটনার সময় তিনি নামাজে ছিলেন। পরে নামাজ শেষে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে ফোন করে মিছিলের বিষয়ে জানানো হয়। অন্য শিক্ষকদের কাছ থেকে শুনে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত হন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
"গত ৬ অক্টোবর বিদ্যালয়ের ভেতরে কিছু শিক্ষার্থী নিষিদ্ধ রাজনৈতিক স্লোগান দেয়। ঘটনার সময় আমি নামাজে ছিলাম। পরে নামাজ শেষে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে ফোন করে আমাকে মিছিলের বিষয়ে জানানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোপালগঞ্জ সরকারি জেলা স্কুল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউল হক, সহকারী শিক্ষক মো. ইকবাল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ শিক্ষার্থী, ৬ অক্টোবর, ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!