📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মায়ের মৃত্যুর পর শিশুকে দুধ দেবার নিরাপদ পথ কী? বিশেষজ্ঞের সতর্কতা ও নির্দেশনা

মায়ের মৃত্যুর পর শিশুকে দুধ দেবার নিরাপদ পথ কী? বিশেষজ্ঞের সতর্কতা ও নির্দেশনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মায়ের মৃত্যুর পর শিশুকে দুধ দেবার বিকল্প হিসেবে অন্য মায়ের দুধ দেওয়া সম্ভব, কিন্তু স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি এড়াতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে চলা অপরিহার্য। স্কয়ার হাসপাতালের ডা. আনিকা তাবাস্সুমের সতর্কতা ও নির্দেশনা জানিয়েছেন

মায়ের মৃত্যুর পর শিশুকে দুধ দেবার বিকল্প হিসেবে অন্য মায়ের দুধ দেওয়া সম্ভব কিনা — এই প্রশ্নে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা জোরালো। বিশেষ করে জন্মের পর থেকে দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর জন্য মায়ের দুধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ছয় মাস মায়ের দুধেই শিশুর সম্পূর্ণ পুষ্টির ব্যবস্থা করা যায়। তবে অন্য মায়ের দুধ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি এড়াতে কী কী সতর্কতা নেওয়া দরকার?

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মায়ের মৃত্যুর পর শিশুকে দুধ দেবার বিকল্প হিসেবে অন্য মায়ের দুধ দেওয়া সম্ভব, কিন্তু স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে।
  • 📌 সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি ও সি, সিফিলিস, হারপেস, ব্রুসেলা, মাঙ্কি ভাইরাস ও ইবোলা সংক্রমণ পরীক্ষা করা দরকার।
  • 📌 ধূমপান, অ্যালকোহল বা রেডিওঅ্যাকটিভ পদার্থ গ্রহণকারী মা অন্যের সন্তানকে দুধ দিতে পারবেন না।
  • 📌 দুধ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের নিয়ম: কক্ষ তাপমাত্রায় (২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার কম) চার ঘণ্টা, ফ্রিজে চার দিন, ডিপ ফ্রিজে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যাবে।
  • 📌 অপরিণত নবজাতকদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দেশনা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

📰 বিস্তারিত

মায়ের মৃত্যুর পর শিশুকে দুধ দেবার বিকল্প হিসেবে অন্য মায়ের দুধ দেওয়া একটি মহৎ উদ্যোগ। তবে স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে। স্কয়ার হাসপাতালের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট ডা. আনিকা তাবাস্সুম বলেছেন, অন্য মায়ের দুধ দেওয়ার আগে নিশ্চিত করতে হবে যে ওই মায়ের নিজের সন্তান পর্যাপ্ত দুধ থেকে বঞ্চিত না হয়।

সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি ও সি, সিফিলিস, হারপেস সিমপ্লেক্স ভাইরাস, ব্রুসেলা, মাঙ্কি ভাইরাস ও ইবোলা সংক্রমণ পরীক্ষা করা দরকার। বিশেষ করে হারপেস সংক্রমণ থাকলে একটি স্তনে সংক্রমণ না থাকলে সেখান থেকে দুধ নেওয়া যায়। তবে কোনো ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগে আক্রান্ত থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে কত দিন পর দুধ দেওয়া যাবে বা আদতেই দেওয়া যাবে না।

স্তন্যদানকারী মা যদি ধূমপান, অ্যালকোহল সেবন বা রেডিওঅ্যাকটিভ পদার্থ গ্রহণ করেন, তাহলে তা শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করলে সেটিও জানিয়ে রাখতে হবে। বিশেষ করে সাপ্লিমেন্ট বা হারবাল ওষুধ সেবন করলে তা অবশ্যই চিকিৎসকের জানানো দরকার।

দুধ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। পরিষ্কার পাত্রে সংরক্ষণ করে কক্ষ তাপমাত্রায় (২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার কম) চার ঘণ্টা পর্যন্ত দুধ ভালো থাকে। তবে বোতল থেকে শিশুকে খাওয়ানো হলে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সেটি থেকে খাওয়ানো যাবে। ফ্রিজের সাধারণ চেম্বারে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার কম তাপমাত্রায় রাখলে চার দিন পর্যন্ত এবং ডিপ ফ্রিজে মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার কমে রাখলে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ব্যবহারোপযোগী থাকতে পারে।

"অন্যের সন্তানকে দুধ দেওয়ার আগে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে চিকিৎসক নির্দিষ্ট কিছু পরীক্ষা করতে দেবেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: স্কয়ার হাসপাতাল, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. আনিকা তাবাস্সুম (অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖