📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী মেডিকেলে ট্রলি সংকটে রোগীরা ফটকেই পড়ে থাকেন: ৫০-এর বেশি অকেজো ট্রলি মেরামত ছাড়া

রাজশাহী মেডিকেলে ট্রলি সংকটে রোগীরা ফটকেই পড়ে থাকেন: ৫০-এর বেশি অকেজো ট্রলি মেরামত ছাড়া

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১০০০ রোগী ভর্তি হন। ট্রলি সংকটে জরুরি বিভাগের সামনে শুয়ে থাকতে হয় রোগীদের। ৫০-এর বেশি অকেজো ট্রলি মেরামত ছাড়া রয়েছে। স্বজনদের অসচেতনতা ও ট্রলি ফেরত দেওয়ার দেরি সংকট বাড়াচ্ছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) জরুরি বিভাগে ট্রলি সংকটে রোগীরা ফটকেই পড়ে থাকছেন। প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১০০০ রোগী ভর্তি হলেও ট্রলি পেতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। ৫০-এর বেশি অকেজো ট্রলি মেরামত ছাড়া রয়েছে, যা সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রতিদিন ৮০০-১০০০ রোগী ভর্তি হলেও ট্রলি পেতে ২০-৩০ মিনিট লাগে
  • 📌 ৫০-এর বেশি অকেজো ট্রলি মেরামত ছাড়া রয়েছে, যা সংকটের মূল কারণ
  • 📌 স্বজনদের অসচেতনতা ও ট্রলি ফেরত দেওয়ার দেরি সংকট বাড়াচ্ছে
  • 📌 মনিরুল ইসলাম (৫০) ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে রাজশাহীর চর খিদিরপুর থেকে এসেছিলেন, কিন্তু ট্রলি পেলেন না
  • 📌 হাসপাতালের ৬০টি ট্রলি ও ৩০টি হুইলচেয়ার রয়েছে, কিন্তু চাপে পাওয়া যায় না

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১০০০ রোগী ভর্তি হন। কিন্তু ট্রলি সংকটে রোগীরা ফটকেই পড়ে থাকছেন। ট্রলি পেতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে প্রায় ২০ মিনিট মনিরুল ইসলাম (৫০) ফটকেই পড়ে থাকতে হয়েছিল। তিনি ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে রাজশাহীর পদ্মার ওপারের চর খিদিরপুর থেকে এসেছিলেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে ট্রলি ও হুইলচেয়ার সরবরাহের কাউন্টার রয়েছে। সেখানে ৬০টি ট্রলি ও ৩০টি হুইলচেয়ার রয়েছে। কিন্তু রোগীর চাপ বাড়লে কাউন্টারে পাওয়া যায় না একটি ট্রলিও। একটি ট্রলি ফেরত আসার পর সেটি পেতে অপেক্ষমাণ স্বজনদের সিরিয়াল ধরতে হয়। এতে একটি ট্রলি পেতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট লেগে যায়।

হাসপাতালের পুরোনো জরুরি বিভাগের একটি কক্ষে প্রায় অর্ধশত অকেজো ট্রলি ফেলে রাখা হয়েছে। মেরামত না করে ফেলে রাখায় হাসপাতালের মোট ট্রলির বড় একটি অংশ ব্যবহারের বাইরে রয়েছে। এ কারণে কাউন্টারে সংকট বেড়ে গেছে। ট্রলির সংকটের পেছনে রোগীর স্বজনদের অসচেতনতাও ভূমিকা রাখছে। কাউন্টার থেকে ট্রলি নিয়ে ওয়ার্ডে যাওয়ার পর অনেকে সেটি ফেরত দিতে দেরি করেন। ফলে অন্য রোগীদের জন্য ট্রলি আটকে থাকে।

"খালি নাইমি যাইচ্ছে" — ফিরোজা বেগমের, মনিরুলের স্ত্রী

হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামিম আহমেদ বলেন, "সব সময় ট্রলির সংকট থাকে না। অনেক সময় রোগীর স্বজনেরা ট্রলি নিয়ে যাওয়ার পর দ্রুত ফেরত দেন না। তখন অন্য রোগীদের জন্য ট্রলি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অকেজো ট্রলিগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, 'কিছু ট্রলি অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। সেগুলো মেরামত করে কাউন্টারে দেওয়া গেলে সংকট কমবে। এ বিষয়ে আজই পরিচালকের সঙ্গে কথা বলব।'"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক), রাজশাহী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনিরুল ইসলাম (৫০), ফিরোজা বেগমের, মজিবর রহমান (৫০), মো. আল-আমিন, ডা. শেখ শামিম আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০০-১০০০ (রোগী ভর্তি), ৫০ (অকেজো ট্রলি), ৬০ (ট্রলি), ৩০ (হুইলচেয়ার), ২০-৩০ (মিনিট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖