📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে শিশুদের চিকিৎসা: শয্যা সংকটে গাছতলায় রেখে চিকিৎসা চলছে, অভিভাবকদের ক্ষোভ

ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে শিশুদের চিকিৎসা: শয্যা সংকটে গাছতলায় রেখে চিকিৎসা চলছে, অভিভাবকদের ক্ষোভ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের ৪৫ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ২০৪ শিশু ভর্তি থাকায় শয্যা সংকটে গাছতলায় শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অভিভাবকদের অভিযোগ রয়েছে ওষুধ, পানি ও পরিচ্ছন্নতার সংকটে

ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে শিশুদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। শয্যা সংকটে ২০৪ শিশুকে একসাথে ভর্তি রাখার কারণে গাছতলায় শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অভিভাবকদের অভিযোগ রয়েছে ওষুধ, পানির সংকট এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে শিশুদের চিকিৎসা চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের ৪৫ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে ২০৪ শিশু ভর্তি থাকায় শয্যা সংকটে গাছতলায় শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে
  • 📌 শিশু ওয়ার্ডে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি-কাশি ও ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা চলছে, কিন্তু শয্যা না পেয়ে অনেককে গাছতলায় রাখতে হয়
  • 📌 অভিভাবকদের অভিযোগ: ওষুধ, স্যালাইন, ক্যানুলা ও টেপ হাসপাতাল থেকে পাওয়ার পরিবর্তে বাইরে কিনতে হয়
  • 📌 শৌচাগারের অপরিচ্ছন্নতা ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের কারণে অভিভাবকদের ক্ষোভ বাড়ছে
  • 📌 হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে ৪৫ শয্যার জায়গায় কখনো ২৫০ জনের মতো শিশু ভর্তি থাকে

📰 বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের ৪৫ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে গত বুধবার ২০৪ শিশু ভর্তি থাকায় শয্যা সংকটে অভিভাবকদের অবস্থা কঠিন হয়ে পড়েছে। শিশু ওয়ার্ডের মেঝে ও বারান্দায় শিশুদের রাখা হচ্ছে। এরপরও জায়গা না পেয়ে গাছতলায় শিশুদের নিয়ে অবস্থান করছেন অভিভাবকেরা। শিশু ওয়ার্ডে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি-কাশি ও ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা চলছে।

পঞ্চগড়ের বিউটি বেগম তাঁর ১৭ মাস বয়সী নাতিকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন। শিশুটি জন্ম থেকে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছে। বিউটি বেগম বলেন, ওয়ার্ডের ভেতরে প্রচণ্ড গরম ও ভিড়। একটি বিছানায় দুই-তিনটি শিশুকে রাখা হচ্ছে। তাই বেশির ভাগ সময় নাতিকে বাইরে খোলা বাতাসে রাখতে হয়। স্যালাইন ও ইনজেকশন দেওয়ার সময় শুধু ভেতরে নেওয়া হয়।

অভিভাবকদের অভিযোগ রয়েছে ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকটে। বালিয়াডাঙ্গীর বড় পলাশবাড়ীর আবু বকর বলেন, তাঁর সন্তান দুই দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও কোনো ওষুধ পাননি। প্রয়োজনীয় ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়েছে। রুমা নামের আরেকজন অভিভাবক বলেন, তাঁর দুই বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালে আছেন। শিশুটির ১০-১২ দিন জ্বর। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে বিনা মূল্যে কোনো ওষুধ পাননি। চিকিৎসকেরা আগে কিনে আনা ১ হাজার ৩০০ টাকার ওষুধ বাদ দিয়েছেন। নতুন করে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়েছে।

হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। শৌচাগারের অপরিচ্ছন্নতা ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের কারণে অভিভাবকদের ক্ষোভ বাড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিশুর বাবা জানান, তাঁর ১৫ মাস বয়সী মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী কিনে আনা ক্যানুলা ও টেপ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজেদের কাছে রেখে দেয়। পরে টেপ চাইলে নেই বলে জানানো হয়। ইনজেকশনসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রীও বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।

"ওয়ার্ডের ভেতরে প্রচণ্ড গরম ও ভিড়। একটি বিছানায় দুই-তিনটি শিশুকে রাখা হচ্ছে। তাই বেশির ভাগ সময় নাতিকে বাইরে খোলা বাতাসে রাখতে হয়।"
"নারী-পুরুষকে একই শৌচাগার ব্যবহার করতে হচ্ছে। খাওয়ার পানির সংকট রয়েছে। হোটেল থেকে পানি আনতে হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নার্স তাজনেহার, অভিভাবক বিউটি বেগম, আবু বকর, রুমা, শিশু ওয়ার্ডের রোগীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ শয্যা, ২০৪ শিশু, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, ১৭ মাস বয়স, ১০-১২ দিন জ্বর, ১ হাজার ৩০০ টাকা, ১ হাজার ৪০০-৫০০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖