📌 যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি প্রধান শহর — লস অ্যাঞ্জেলেস, ওয়াশিংটন ডিসি ও নিউইয়র্ক — এখন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ নিথিয়া রমন ৫২.১ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বৃহত্তম শহরের নেতৃত্ব দখল করে নেন ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার সদস্যরা
যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি প্রধান শহর — লস অ্যাঞ্জেলেস, ওয়াশিংটন ডিসি এবং নিউইয়র্ক — এখন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ নিথিয়া রমন ৫২.১ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বৃহত্তম শহরের নেতৃত্ব দখল করে নেন ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার সদস্যরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী নিথিয়া রমন ৫২.১ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন; বর্তমান মেয়র কারেন বাস পান ৪৭.৯ শতাংশ ভোট
- 📌 রমন হবেন ক্যালিফোর্নিয়ার সবচেয়ে জনবহুল শহরটির নেতৃত্ব দেওয়া প্রথম এশীয়-আমেরিকান
- 📌 রমন বিজয় উদযাপনে বলেন, ‘লস অ্যাঞ্জেলেসের মানুষকে ভালোবাসি এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার কাজ শুরু করব’
- 📌 রমনকে সমর্থন করেছিলেন বার্নি স্যান্ডার্সসহ প্রগতিশীল রাজনীতির প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ; আবাসন ব্যয় কমানো ও ভাড়াটিয়াদের সুরক্ষা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
- 📌 কারেন বাস পরাজয় স্বীকার করে বলেন, ‘লস অ্যাঞ্জেলেসের মানুষ তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন’
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি প্রধান শহর — লস অ্যাঞ্জেলেস, ওয়াশিংটন ডিসি এবং নিউইয়র্ক — এখন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ নিথিয়া রমন ৫২.১ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অন্যদিকে, বর্তমান মেয়র কারেন বাস পান ৪৭.৯ শতাংশ ভোট। মোট ভোটের ৭৬ শতাংশ গণনা করা হয়েছিল।
বিজয় উদযাপনে রমন একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তায় বলেন, ‘লস অ্যাঞ্জেলেস, আপনাদের পরবর্তী মেয়র হতে পেরে আমি গভীরভাবে সম্মানিত বোধ করছি। আমি এই শহরকে ভালোবাসি, এর মানুষকে ভালোবাসি। আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার কাজ শুরু করার জন্য আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’
রমন, যিনি সিটি কাউন্সিলের সদস্য এবং ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার সদস্য, হবেন ক্যালিফোর্নিয়ার সবচেয়ে জনবহুল শহরটির নেতৃত্ব দেওয়া প্রথম এশীয়-আমেরিকান। এই বিজয় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রগতিশীল অংশের ধারাবাহিক নির্বাচনী সাফল্যের সর্বশেষ উদাহরণ। গত বছর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট জোহরান মামদানির জয় এবং মঙ্গলবার ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার আরেক সদস্য জেনিস লুইস জর্জ ওয়াশিংটন ডিসির পরবর্তী মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় এই সাফল্য আরও মজবুত হয়েছে।
রমন নির্বাচনী প্রচারণায় বলেছেন, ‘আমি এমন একটি শহর গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেছি, যা সবার জন্য কার্যকরভাবে কাজ করবে’। তিনি আবাসন ব্যয় কমানো এবং ভাড়াটিয়াদের সুরক্ষা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের ভোটারদের কাছে আবাসন অন্যতম প্রধান ইস্যু। এপ্রিলে এলএবিসি ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীরা গৃহহীন মানুষের সমস্যা, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সাশ্রয়ী আবাসনের সংকটকে শহরের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে স্থান দিয়েছেন।
কারেন বাস পরাজয় স্বীকার করে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা যে ফলাফল আশা করেছিলাম, এটি তা নয়। তবে লস অ্যাঞ্জেলেসের মানুষ তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া যাতে নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি আমি দিয়েছি। এই শহরকে এগিয়ে নিতে আমাদের সবার কাছ থেকেই লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রত্যাশা রয়েছে।’
"লস অ্যাঞ্জেলেস, আপনাদের পরবর্তী মেয়র হতে পেরে আমি গভীরভাবে সম্মানিত বোধ করছি। আমি এই শহরকে ভালোবাসি, এর মানুষকে ভালোবাসি। আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার কাজ শুরু করার জন্য আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিথিয়া রমন, কারেন বাস, বার্নি স্যান্ডার্স
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২.১ শতাংশ (রমনের ভোট), ৪৭.৯ শতাংশ (বাসের ভোট), ৭৬ শতাংশ (গণনা করা ভোট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!