📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

'পথের দাবী' প্রকাশের শতবর্ষে: শরৎচন্দ্রের বিপ্লবী অহিংসতা ও ব্রিটিশ সরকারের নিষেধাজ্ঞা

'পথের দাবী' প্রকাশের শতবর্ষে: শরৎচন্দ্রের বিপ্লবী অহিংসতা ও ব্রিটিশ সরকারের নিষেধাজ্ঞা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 'পথের দাবী' উপন্যাসের প্রকাশের শতবর্ষে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক চিন্তাধারা ও ব্রিটিশ সরকারের নিষেধাজ্ঞার পেছনের গল্প উন্মোচিত হয়েছে। উপন্যাসে বিপ্লববাদ ও অহিংসতার সমন্বয় দেখে সরকার বাজেয়াপ্ত করে, কিন্তু লেখক নিজেও রাজনৈতিক সক্রিয়তা দেখিয়েছেন।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের প্রকাশের শতবর্ষ উপলক্ষে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণে উঠে এসেছে লেখকের রাজনৈতিক চিন্তাধারার গভীরতা। উপন্যাসে বিপ্লবী আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরার কারণে ব্রিটিশ সরকার তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও, লেখক নিজেই কংগ্রেস রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তারিক মনজুরের লেখায় এই বিষয়টি বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রিটিশ সরকার ১৯২৬ সালে ‘পথের দাবী’ উপন্যাস বাজেয়াপ্ত করে, কারণ উপন্যাসে বিপ্লববাদী চিন্তার প্রতিফলন ছিল।
  • 📌 উপন্যাসে অহিংস আন্দোলনের প্রতি লেখকের সমর্থনও স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে জোরদার করে।
  • 📌 শরৎচন্দ্র হাওড়া জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি ছিলেন এবং প্রায় নিয়মিত খদ্দর পরতেন, এমনকি একটি রিভলভার বহন করতেন।
  • 📌 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘পথের দাবী’ বাজেয়াপ্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান, কিন্তু শরৎচন্দ্রের রাজনৈতিক মনোভাবকে সমর্থন করেননি।
  • 📌 উপন্যাস প্রকাশের পর দোকানদাররা ৩ টাকার বই ১০ টাকায় বিক্রি করতেন, যা জনপ্রিয়তার প্রমাণ।

📰 বিস্তারিত

ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের প্রকাশের শতবর্ষে তারিক মনজুরের বিশ্লেষণে দেখা যায়, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখায় বিপ্লববাদ ও অহিংসতার সমন্বয় ছিল। উপন্যাসে বিপ্লবীদের চরিত্রের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তুলে ধরা হলেও, লেখক নিজেই অহিংস আন্দোলনের সমর্থক ছিলেন।

১৯২৬ সালে প্রকাশিত ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের কিছুদিন পর ব্রিটিশ সরকার তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এর আগে বঙ্গবাণী মাসিকপত্রে উপন্যাসের ধারাবাহিক প্রকাশিত হত। নিষিদ্ধ ঘোষণায় শরৎচন্দ্র মর্মাহত হন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছে গিয়ে বলেন, ‘আপনি যদি একটা প্রতিবাদ করেন তো কাজ হয়; পৃথিবীর লোক জানতে পারে যে গভর্নমেন্ট সাহিত্যের প্রতি কী রকম অবিচার করছে!’

রবীন্দ্রনাথের প্রতিক্রিয়া ছিল আলাদা। তিনি শরৎচন্দ্রকে একটি চিঠি লিখেন, যেখানে বলেন, লেখকদের উত্তেজক গ্রন্থ লিখতে পারলেও, শাস্তি স্বীকার করার কথাও মনে রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘সব দেশেই শাস্তি স্বীকার করেই কলম চালাতে হচ্ছে’। এই চিঠিতে রবীন্দ্রনাথের ইংরেজপ্রীতি নিয়ে সমালোচনা করা হলেও, তার ‘খোলাচিঠি’তে ব্রিটিশ সরকারের দমননীতির বিরুদ্ধে তিনি স্পষ্ট প্রতিবাদ জানান।

শরৎচন্দ্রের রাজনৈতিক সক্রিয়তা সম্পর্কে জানা যায়, তিনি হাওড়া জেলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি ছিলেন এবং প্রায় নিয়মিত খদ্দর পরতেন। এমনকি তিনি একটি রিভলভার বহন করতেন, যা তার বিপ্লবী মনোভাবের প্রমাণ। কংগ্রেসের রাজনীতিতে তিনি চিত্তরঞ্জন দাশ ও সুভাষচন্দ্র বসুর সমর্থক ছিলেন।

"লেখকেরা উত্তেজক গ্রন্থ লিখবেন, অথচ সেই সঙ্গে তাঁরা এই আশাও করবেন যে ইংরেজ-সরকার তাঁদের শাস্তি দেবে না, এ রকম মনোভাব ঠিক নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রিটিশ ভারত (বিশেষত হাওড়া জেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, তারিক মনজুর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ টাকা (বইয়ের দাম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖