📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বটগাছের অদ্ভুত ‘হাঁটার’ গোপন কৌশল: কীভাবে এক গাছে পরিণত হয় বিশাল বন!

বটগাছের অদ্ভুত ‘হাঁটার’ গোপন কৌশল: কীভাবে এক গাছে পরিণত হয় বিশাল বন!

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নারায়ণগঞ্জের হিরনাল এলাকায় অবস্থিত একটি ৩০০-৫০০ বছরের বটগাছের অদ্ভুত বেড়ে ওঠার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। গাছের শিকড় থেকে নতুন কাণ্ড তৈরি করে নিজের বিস্তৃতি বাড়িয়ে নেয়, যা ‘হাঁটতে থাকা গাছ’ হিসেবে পরিচিত। কলকাতার গ্রেট বটগাছের মতো এই গাছও বিশাল এলাকা দখল করতে পারে

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার হিরনাল এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাচীন বটগাছের অদ্ভুত বেড়ে ওঠার কৌশল মানুষের মনকে আকৃষ্ট করছে। এই বিশাল বটগাছের বিস্তৃতি প্রায় তিন বিঘা জমি জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় প্রবীণদের মতে, গাছটির বয়স ৩০০ থেকে ৫০০ বছরেরও বেশি হতে পারে। গাছের ডালপালা থেকে নামা ঝুরিগুলো মাটিতে পৌঁছানোর পর শক্ত হয়ে নতুন কাণ্ডের মতো হয়ে ওঠে, যা দূর থেকে অনেকগুলো গাছের মতো দেখায়। আসলে সবগুলোই একই বটগাছের অংশ। এই প্রক্রিয়ায় গাছটি ধীরে ধীরে নিজের বিস্তৃতি বাড়িয়ে নেয়, যা ‘হাঁটতে থাকা গাছ’ হিসেবে পরিচিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হিরনালের বটগাছ: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত প্রাচীন বটগাছের বয়স ৩০০-৫০০ বছরেরও বেশি হতে পারে।
  • 📌 ‘হাঁটার’ কৌশল: বটগাছের ডালপালা থেকে নামা ঝুরিগুলো মাটিতে শক্ত হয়ে নতুন কাণ্ডের মতো হয়ে ওঠে, যা গাছের বিস্তৃতি বাড়ায়।
  • 📌 কলকাতার গ্রেট বটগাছ: ভারতের কলকাতায় অবস্থিত এই বটগাছ প্রায় পাঁচ একর জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে আছে। এর উচ্চতা ২৪ মিটার এবং বয়স ২৫০ বছরের বেশি।
  • 📌 বটগাছের ইতিহাস: দক্ষিণ এশিয়ার ব্যবসায়ীরা বটগাছের ছায়ায় ব্যবসা করতেন, যা ‘বটগাছ’ নামের উৎপত্তি। ব্রিটিশ শাসনামলে এই গাছের ডালে বিদ্রোহীদের ফাঁসি দেওয়া হতো।
  • 📌 জীবন্ত শিকড়ের সেতু: ভারতের মেঘালয় রাজ্যে বটগাছের শিকড় দিয়ে তৈরি হয় জীবন্ত সেতু, যা ৫০০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।

📰 বিস্তারিত

বটগাছের এই অদ্ভুত বেড়ে ওঠার পদ্ধতির পেছনে রয়েছে এর শিকড়। গাছের ডালপালা থেকে নামা ঝুরিগুলো মাটিতে পৌঁছানোর পর পানি ও পুষ্টি সংগ্রহ করতে থাকে। ধীরে ধীরে এই ঝুরিগুলো শক্ত হয়ে নতুন কাণ্ডের মতো হয়ে ওঠে। এরপর সেই কাণ্ড থেকেও নতুন ডালপালা ছড়িয়ে পড়ে এবং আবার নতুন শিকড় তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় একটি বটগাছ ধীরে ধীরে চারদিকে ছড়িয়ে যেতে পারে। হিরনালের বটগাছের মতো এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে একটি বটগাছ বিশাল এলাকা দখল করতে পারে।

কলকাতার আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ইন্ডিয়ান বোটানিক্যাল গার্ডেনে অবস্থিত ‘গ্রেট বটগাছ’ বিশ্বের অন্যতম বিশাল বটগাছ। এই গাছটি প্রায় পাঁচ একর জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে আছে এবং এর উচ্চতা ২৪ মিটার। গাছটির বয়স ২৫০ বছরের বেশি। বটগাছের ইতিহাস দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। বহুকাল ধরে ভারতীয় উপমহাদেশের ব্যবসায়ীরা এই গাছের ছায়ায় বসে ব্যবসা করতেন। ব্রিটিশ শাসনামলে এই গাছের ডালকে ফাঁসির মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ১৮৫০-এর দশকে শত শত মানুষকে বটগাছের ডালে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।

বটগাছের আরেকটি বিখ্যাত উদাহরণ রয়েছে হাওয়াইয়ের মাউই দ্বীপে। ‘লাহাইনা বটগাছ’ নামের এই গাছটি ১৮৭৩ সালে রোপণ করা হয়েছিল। বর্তমানে গাছটির উচ্চতা প্রায় ১২ মিটার এবং এর ছায়া ছড়ানো অংশের পরিধি প্রায় ৪০০ মিটার। বটগাছের শিকড় দিয়ে তৈরি হয় জীবন্ত সেতু, যা ভারতের মেঘালয় রাজ্যে স্থানীয় মানুষ ব্যবহার করেন। এই সেতুগুলো ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে যায় এবং ৫০০ বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।

"বটগাছের এই অদ্ভুত বেড়ে ওঠার পদ্ধতিকে ‘হাঁটতে থাকা গাছ’ বলা হয়। আসলে গাছটি সত্যি সত্যি হাঁটে না, বরং নতুন শিকড় তৈরি করে নিজের বিস্তৃতি বাড়ায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হিরনাল (নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা), কলকাতা (ভারত), মেঘালয় (ভারত), মাউই দ্বীপ (হাওয়াই)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, স্থানীয় প্রবীণরা, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০-৫০০ বছর (বটগাছের বয়স), ২৫০ বছর (গ্রেট বটগাছের বয়স), ২৪ মিটার (গ্রেট বটগাছের উচ্চতা), ৫০০ বছর (জীবন্ত শিকড়ের সেতুর আয়ু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖