📌 চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে একটি শিক্ষার্থীর পদার্থবিজ্ঞানে খাতায় শূন্য নম্বর থাকলেও প্রকাশিত ফলাফলে ৪৫ নম্বর দেখানো হয়েছে। ঘটনাটি পুনর্নিরীক্ষণের সময় ধরা পড়ে। বোর্ড তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং ঘটনার পেছনের কারণ ও দায়িত্বধারীদের খুঁজছে
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে একটি শিক্ষার্থীর পদার্থবিজ্ঞানে খাতায় শূন্য নম্বর থাকলেও প্রকাশিত ফলাফলে ৪৫ নম্বর দেখানো হয়েছে। ঘটনাটি পুনর্নিরীক্ষণের সময় শনাক্ত হয়। বোর্ডের কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনার পেছনের কারণ ও দায়িত্বধারীদের খুঁজছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় একটি শিক্ষার্থীর পদার্থবিজ্ঞানে খাতায় শূন্য নম্বর থাকলেও ফলাফলে ৪৫ নম্বর দেখানো হয়েছে।
- 📌 শিক্ষার্থী তিনটি বিষয়ে পুনর্নিরীক্ষা আবেদন করেছিল, কিন্তু তিনটি বিষয়েরই খাতায় প্রকাশিত ফলাফলের সাথে নম্বরের অসংগতি পাওয়া যায়।
- 📌 বোর্ড তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যার আহ্বায়ক বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন।
- 📌 এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বোর্ডে ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৭ হাজার ৪৫৩ জন পাস করেছে, যার মধ্যে ৯ হাজার ৩৯৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
- 📌 ফলাফল পুনর্নিরীক্ষা আবেদন করেছে ৩৯ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে একটি শিক্ষার্থীর পদার্থবিজ্ঞানে খাতায় শূন্য নম্বর থাকলেও প্রকাশিত ফলাফলে ৪৫ নম্বর দেখানো হয়েছে। ঘটনাটি পুনর্নিরীক্ষণের সময় শনাক্ত হয়। শিক্ষার্থী তিনটি বিষয়ে পুনর্নিরীক্ষা আবেদন করেছিল, কিন্তু তিনটি বিষয়েরই খাতায় প্রকাশিত ফলাফলের সাথে নম্বরের অসংগতি পাওয়া যায়। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এই শিক্ষার্থীর পদার্থবিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে পুনর্নিরীক্ষা আবেদন করা হয়েছিল। পরীক্ষকরা পদার্থবিজ্ঞানের উত্তরপত্রে খাতায় শূন্য নম্বর থাকলেও ফলাফলে ৪৫ নম্বর দেখানো ছিল। পরে বিষয়টি যাচাই করে কম্পিউটার সেন্টারে সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গেও নম্বরের অমিল পাওয়া যায়।
বোর্ডের কর্মকর্তারা এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ২৫ আগস্ট তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার আহ্বায়ক বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চমাধ্যমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ দিদারুল আলম এবং সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ আবদুল আজিজ। বোর্ড সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে।
এই ঘটনা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের জন্য নতুন নয়। গত বছরের এসএসসি পরীক্ষায় ৩৪টি খাতার নম্বরপত্র বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও ছিল। তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান পরিচালনা করেছিল। এর আগে ২০২৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র নাথের ছেলের ফলাফলে ১১টি পত্রের নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও ছিল।
"তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন, অধ্যাপক মোহাম্মদ দিদারুল আলম, মোহাম্মদ আবদুল আজিজ, শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ (নম্বর), ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ (পরীক্ষার্থী), ৭৭ হাজার ৪৫৩ (পাস), ৯ হাজার ৩৯৮ (জিপিএ-৫), ৩৯ হাজার ৭৯৮ (পুনর্নিরীক্ষা আবেদন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!