📌 খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় শুক্রবার ভোরে ফার্মেসি ও তিনটি চায়ের দোকান পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পাশের উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দেরি পৌঁছনের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে
খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার ধর্মঘর এলাকায় শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি ফার্মেসি ও তিনটি চায়ের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তদের ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ সেপ্টেম্বর ভোরে মানিকছড়ি উপজেলার ধর্মঘর এলাকায় ফার্মেসি ও তিনটি চায়ের দোকান পুড়ে যাওয়ায় ২৫ লাখ টাকা ক্ষতি
- 📌 পল্লিচিকিৎসক আথুইশে মারমা ও চা বিক্রেতা সাথং মারমা, রিম্রাচাই মারমা ও অংগ্য মারমা ক্ষতিগ্রস্ত
- 📌 আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দেরি পৌঁছনের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে
- 📌 পাশের লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়
- 📌 মানিকছড়ি থানার ওসি মাসুদ পারভেজ জানান, সম্ভবত একটি চায়ের দোকানের চুলা থেকেই আগুন শুরু হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার পর স্থানীয়রা আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে বিষয়টি পাশের লক্ষ্মীছড়ি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই ফার্মেসি ও তিনটি চায়ের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
পল্লিচিকিৎসক আথুইশে মারমা জানান, তাঁর ফার্মেসিতে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ওষুধ ছিল। আগুনে সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। তিনি ধারণা করেন, পাশের একটি চায়ের দোকানের চুলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তিনি বলেন, ‘উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় পাশের উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে সময় লেগেছে। ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আমাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।’
মানিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ জানান, আগুন লাগার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে পাশের লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, একটি চায়ের দোকানের চুলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
"উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় পাশের উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে সময় লেগেছে। ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আমাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধর্মঘর এলাকা, মানিকছড়ি উপজেলা, খাগড়াছড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পল্লিচিকিৎসক আথুইশে মারমা, চা বিক্রেতা সাথং মারমা, রিম্রাচাই মারমা, অংগ্য মারমা, ওসি মাসুদ পারভেজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২৫ লাখ টাকা (ক্ষতি), ৪-৫ লাখ টাকা (ওষুধ), ১১ সেপ্টেম্বর (তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!