📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতিসংঘের অনুমোদনে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়ানো, ২০২৯ সালে হবে সম্পূর্ণ উত্তরণ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: ড. খলিলুর রহমান ড. খলিলুর রহমান
জাতিসংঘের অনুমোদনে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়ানো, ২০২৯ সালে হবে সম্পূর্ণ উত্তরণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে জি-৭৭, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের সমর্থন পেয়েছে, তবে বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় তাগিদ দেওয়া হয়েছে

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে করা হয়েছে। আগামী ২৪ নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এতে বাংলাদেশ আরও তিন বছর প্রস্তুতি নিতে পেরেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়ানো হয়েছে — ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে হবে সম্পূর্ণ উত্তরণ
  • 📌 ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে
  • 📌 জি-৭৭-এর পক্ষে উরুগুয়ের প্রতিনিধি বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব উত্থাপন করেন
  • 📌 ফ্রান্স, কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় পেছানোর বিষয়ে সমর্থন জানান
  • 📌 বাংলাদেশের সরকারের যুক্তি: বৈশ্বিক ও দেশি সংকটের কারণে প্রস্তুতি ব্যাহত হয়েছে
  • 📌 ২০২১ সালে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে

📰 বিস্তারিত

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে আজ রাত একটায় শুরু হওয়া প্ল্যানারি মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকটি ইউএন ওয়েব টিভি সরাসরি সম্প্রচার করে। জি-৭৭-এর পক্ষে উরুগুয়ের প্রতিনিধি বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব উত্থাপন করেন। কোনো দেশের প্রতিনিধি এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেননি। ফ্রান্স, কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের সময় পেছানোর বিষয়ে সমর্থন জানান। তবে সবাই তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশে সংস্কারের তাগিদ দেন।

জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) গত ২১ জুলাই বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ করে। এর আগে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশের আবেদন পর্যালোচনা করে মত দেয়। বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা উচিত বলে সুপারিশ করা হয়।

বাংলাদেশের সরকারের দাবি, সময়সীমা বাড়ানো হলে সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা, সংস্কার সংহত করা ও স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজির অধীন অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সুযোগ পাওয়া যাবে। সরকারের চিঠিতে বলা হয়েছে, এলডিসি উত্তরণে পাঁচ বছরের প্রস্তুতি সময় বৈশ্বিক ও দেশি সংকটে ব্যাহত হয়েছে। বৈশ্বিক সংকটের মধ্যে রয়েছে কোভিড-১৯ মহামারির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, জ্বালানি ও খাদ্যবাজারে অস্থিরতা, বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার কড়াকড়ি, বাণিজ্য পুনরুদ্ধারের বিলম্ব এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা। দেশি সংকটের মধ্যে আছে আর্থিক খাতে অনিয়ম, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিষ্পত্তি না হওয়া।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাভুক্ত হয়। এলডিসিভুক্ত থাকার সুবাদে পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধাসহ নানা সুযোগ পেয়েছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের বিষয়ে সুপারিশ করে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি। তিন বছর অন্তর এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন হয়। মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ, জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা এই তিন সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয় কোনো দেশ উত্তরণের যোগ্য কি না। বাংলাদেশ ২০১৮ ও ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে তিনটি সূচকেই উত্তীর্ণ হয়।

"বৈশ্বিক ও দেশি সংকটের কারণে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি ব্যাহত হয়েছে। সময়সীমা বাড়ানো হলে সংস্কার সংহত করা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন, নিউ ইয়র্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খলিলুর রহমান (জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি), উরুগুয়ের প্রতিনিধি, ফ্রান্স, কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৯ (উত্তরণের বছর), ২০২৬ (আগের নির্ধারিত বছর), ২১ (জুলাই), ২৪ (নভেম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖