📌 জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা ২০২৬ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। উরুগুয়ে থেকে উত্থাপিত প্রস্তাব অনুমোদিত হলে বাংলাদেশ ২৪ নভেম্বর ২০২৯-এ স্বল্পোন্নত দেশ তালিকা থেকে উত্তরণ পাবে
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সুযোগ পাবে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশের পক্ষে উরুগুয়ে থেকে এই প্রস্তাব উত্থাপিত হয় এবং তা অনুমোদিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা পাবে
- 📌 ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে
- 📌 বাড়তি সময়ে রপ্তানি বাণিজ্য সুবিধা ধরে রাখা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক দুর্বলতা মোকাবেলা করার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ
- 📌 সিপিডির ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, বাড়তি সময়ে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে হবে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ২০২১ সালে এলডিসি উত্তরণের তিনটি মূল সূচক পূরণ করেছিল। তবে করোনা মহামারী, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে ধীরগতি এবং রপ্তানিতে একক পণ্যের উপর নির্ভরশীলতার কারণে সরকার বাড়তি সময়ের আবেদন করেছিল। উরুগুয়ে থেকে উত্থাপিত এই প্রস্তাব অনুমোদিত হওয়ায় বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের সুযোগ পাবে।
সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, এই বাড়তি সময়কে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের সুশাসন প্রতিষ্ঠা, রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে এবং নতুন বাজার খুঁজতে উদ্যোগ নিতে পারে।
"এ সময়কে কাজে লাগিয়ে রাজস্ব আদায় বাড়ানো, ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা এবং নতুন বাজার খোঁজার উদ্যোগ নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, উরুগুয়ে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. ফাহমিদা খাতুন (সিপিডির ফেলো)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৯ (উত্তরণের নতুন সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!