📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যাংকিং খাতের ধ্বংসের আশঙ্কা: অর্থনীতি নদীতে পড়তে পারে, বলে জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ

ব্যাংকিং খাতের ধ্বংসের আশঙ্কা: অর্থনীতি নদীতে পড়তে পারে, বলে জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে এবং অর্থনীতির অবস্থা নদীতে পড়ার মতো খারাপ হতে পারে। তিনি অলিগার্কদের রাষ্ট্রের সৃষ্টি বলে উল্লেখ করেছেন এবং ব্যাংকগুলোর সরকারমুখী হওয়ার কারণে বেসরকারি খাত ঋণবঞ্চিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন

জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের অবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, অর্থনীতির অবস্থা এখন শুধু লাইনচ্যুতই নয়, নদীতে পড়ার মতো খারাপ হতে পারে। বৃহস্পতিবার ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলনের শেষ দিনের অধিবেশনে তিনি এই কথা বলেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে এবং অর্থনীতির অবস্থা নদীতে পড়ার মতো খারাপ হতে পারে।
  • 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, অলিগার্কদের রাষ্ট্রের সৃষ্টি এবং তাদের শোষণমূলক কার্যকলাপ অর্থনীতিকে বিপদে ফেলেছে।
  • 📌 ব্যাংক খাত সরকারমুখী হয়ে পড়ায় বেসরকারি খাত ঋণবঞ্চিত হচ্ছে এবং সরকারের ঋণের বোঝা বেড়ে যাচ্ছে।
  • 📌 খেলাপি ঋণ মোট ঋণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশে পৌঁছেছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি মারাত্মক সংকট সৃষ্টি করেছে।
  • 📌 শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর থেকে বিপুল অর্থ লুটপাটের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের প্রশ্নও তোলা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, “অধিকাংশ ব্যাংক আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আমাদের ব্যাংকিং খাত অত্যন্ত দুর্বল, ভঙ্গুর। এটি প্রায় বিলুপ্তির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। এটি বাংলাদেশের মানুষ ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি।” তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশ একটি ‘শোষণমূলক’ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে শোষণ সাধারণ জনগণের নয়, বরং স্বল্পসংখ্যক ধনী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের জন্য। তিনি উল্লেখ করেছেন, “এ দেশে এই অলিগার্কদের জন্ম দিয়েছে খোদ রাষ্ট্র নিজেই। অলিগার্কদের প্রশ্রয় না দিলে অর্থনীতিকে সঠিক পথে ফেরানো যাবে না। এবার অর্থনীতি লাইনচ্যুত হয়েছে, ভবিষ্যতে শুধু লাইনচ্যুত হবে না, হয়তো নদীতে গিয়ে পড়বে। তাই এ ধরনের মানুষদের বিষয়ে আমাদের অত্যন্ত সতর্ক থাকা উচিত।”

অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ ব্যাংক খাতের অবস্থা নিয়ে আরও বলেছেন, “ব্যাংক খাত ক্রমেই সরকারমুখী হয়ে পড়ছে। বেসরকারি খাতের দিকে ব্যাংকগুলোর মনোযোগ নেই। এর ফলে বেসরকারি খাত ঋণবঞ্চিত হচ্ছে এবং সরকারের ঘাড়ে ঋণের বিশাল বোঝা জমা হবে। সরকার কীভাবে সেই ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধ করবে তা আমার জানা নেই,” বলেছেন তিনি।

ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বরকত-এ-খোদা বলেছেন, ব্যাংকিং খাতে ‘বিপরীতমুখী চাপ’ বিরাজ করছে। একদিকে কিছু দুর্বল ও শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক তীব্র তারল্যসংকটে ভুগছে, অন্যদিকে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ উদ্বৃত্ত তারল্য রয়েছে। তিনি রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্বল সুশাসন, নমনীয় নীতিমালা এবং বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির ধীরগতিকে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী করেছেন।

পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেছেন, ব্যাংকে অনিয়ম ঘটার পর নীতিমালা তৈরি করা হবে, নাকি আগেই তা করা হবে, সেটি এখন প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। তিনি বলেছেন, “কেউ কমপ্লায়েন্স করল কি না, এজন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করার সময় হয়েছে।”

ব্যাংক খাতের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহমুদ ওসমান ইমাম বলেছেন, বিশেষ করে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলো থেকে বিপুল অর্থ লুটপাটের ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি। তিনি বলেছেন, “ব্যাংক খাত থেকে বিশেষ করে শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোকে থেকে এত লুটপাট হলো, এত টাকা চলে গেল—তা কেউ কি জানল না? নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কেনো আগে জানল না, যদি জেনে থাকে তাহলে কেন ঠেকানো গেল না—সেই আলোচনাতো এখন হওয়া দরকার।”

বিআইবিএমের মহাপরিচালক এজাজুল ইসলাম বলেছেন, গত জুন পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেছেন, সুশাসনের ঘাটতি, মূলধন ও ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় সংস্থান বা প্রভিশনিংয়ের অপর্যাপ্ততা, অর্থ পাচার এবং উৎপাদনশীলতার সীমাবদ্ধতা ব্যাংকিং খাতকে দুর্বল করে তুলছে।

"অধিকাংশ ব্যাংক আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। আমাদের ব্যাংকিং খাত অত্যন্ত দুর্বল, ভঙ্গুর। এটি প্রায় বিলুপ্তির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। এটি বাংলাদেশের মানুষ ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি।"
"এই শোষণ কার জন্য? এই শোষণ সাধারণ জনগণের জন্য নয়। এই শোষণ স্বল্পসংখ্যক ধনী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী বা কোটিপতির জন্য, যাদের আমরা অলিগার্ক বলি। এ দেশে এই অলিগার্কদের জন্ম দিয়েছে খোদ রাষ্ট্র নিজেই।"
"ব্যাংক খাত ক্রমেই সরকারমুখী হয়ে পড়ছে মন্তব্য করে মাহবুব উল্লাহ বলেন, বেসরকারি খাতের দিকে ব্যাংকগুলোর মনোযোগ নেই। এর ফলে বেসরকারি খাত ঋণবঞ্চিত হচ্ছে এবং সরকারের ঘাড়ে ঋণের বিশাল বোঝা জমা হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মিরপুর), বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, বরকত-এ-খোদা, মোহাম্মদ আলী, মাহমুদ ওসমান ইমাম, এজাজুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: খেলাপি ঋণ মোট ঋণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖