📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
ড. খলিলুর রহমান

ড. খলিলুর রহমান

Dr. Khalilur Rahman
🏛️ মন্ত্রী (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
📌 টেকনোক্র্যাট (বিএনপি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
💼 কূটনীতিবিদ 📅 ১ এপ্রিল ১৯৫৪, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ 📍 পাড়াগ্রাম, কাইলাইল ইউনিয়ন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা 🌍 বাংলাদেশি

✨ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ড. খলিলুর রহমান — মন্ত্রী

📋 জীবনী

ড. খলিলুর রহমান একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশি কূটনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ যিনি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন—হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই সম্মান অর্জন। তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় তিনি টেকনোক্রেট কোটায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। ১৯৫৪ সালের ১লা এপ্রিল ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কাইলাইল ইউনিয়নের পাড়াগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২ সন্তানের জনক। শিক্ষাজীবনে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। ১৯৭৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় প্রথম স্থান লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৮০-৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি থেকে Master of Arts in Law and Diplomacy (MALD) এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্ট থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৯ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগদান করে প্রথমে দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে যোগ দেন। সেখানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (আঙ্কটাড) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেন। এরপর নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন ও ফ্ল্যাগশিপ প্রকাশনার প্রধান রচয়িতা ছিলেন। ২০০১ সালে ব্রাসেলস সম্মেলনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর কর্মসূচি পরিকল্পনার খসড়া তৈরিতে নেতৃত্ব দেন। ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য। ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমানের একান্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। অন্তবর্তীকালীন সরকারে ১৯ নভেম্বর ২০২৪ তাকে প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ৯ এপ্রিল ২০২৫ তাকে একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৬ সালের ২ জুন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। নির্বাচনে ৯৯ ভোট পেয়ে সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস. কাকৌরিসকে পরাজিত করেন। ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

📰 সংশ্লিষ্ট সংবাদ

📤 শেয়ার: 📘 Facebook 💬 WhatsApp
🤖