📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে নতুন দুটি কূপ খননের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত। ৫৯২ কোটি টাকার এই প্রকল্পে দৈনিক ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে বিজিএফসিএল। ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে নতুন দুটি কূপ খননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে। এই প্রকল্পের আওতায় দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি অর্থায়নে ৫৯২ কোটি টাকার এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ বুধবার (৪ নভেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে নতুন দুটি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খননের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত
- 📌 প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫৯২ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৪৫৪ কোটি টাকা সরকারি অর্থায়ন এবং ১৩৭ কোটি টাকা বিজিএফসিএলের নিজস্ব তহবিল
- 📌 কূপ দুটি থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা
- 📌 প্রকল্পের সময়সীমা ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত
- 📌 প্রথম বছরের মধ্যে একটি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু করার আশা
- 📌 ১০ বছরে কূপ দুটি থেকে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে নতুন দুটি কূপ খননের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই প্রকল্পের নাম ‘তিতাস গ্যাসফিল্ডে ২টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’। প্রকল্পের মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪৫৪ কোটি টাকা সরকারি অর্থায়ন এবং বাকি ১৩৭ কোটি টাকা বিজিএফসিএলের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. আবুল কাসেম খান জানান, এই কূপ দুটি থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়া যাবে। উত্তোলিত গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। প্রকল্পের আর্থিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ১০ বছরে কূপ দুটি থেকে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় খননকাজে বিদেশি ঠিকাদার এবং দেশি-বিদেশি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, প্রথম বছরের মধ্যে একটি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু করা সম্ভব হবে। দেড় বছরের মধ্যে দুটি কূপই উৎপাদনে আসতে পারে।
"কূপ দুটি থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের পাশাপাশি ১৮ ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়া যেতে পারে। উত্তোলিত গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।"
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিমের মতে, নতুন কূপ খনন দেশের গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে সহায়ক হবে। তবে তিনি বলেছেন, শুধু দেশীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর না করে অনুসন্ধান ও খনন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকেও যুক্ত করা প্রয়োজন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবুল কাসেম খান (বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক), অধ্যাপক ম. তামিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৯২ কোটি টাকা (মোট ব্যয়), ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট (দৈনিক গ্যাস উৎপাদন), ১৮ ব্যারেল (কনডেনসেট), ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট (১০ বছরে সম্ভাব্য গ্যাস)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!