📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তেলেঙ্গানা হাইকোর্টে যাবজ্জীবন সাজা: স্বামীকে নাইলন দড়ি দিয়ে হত্যা করে গৌরীর আত্মীয়স্বজনদের মিথ্যাচার

তেলেঙ্গানা হাইকোর্টে যাবজ্জীবন সাজা: স্বামীকে নাইলন দড়ি দিয়ে হত্যা করে গৌরীর আত্মীয়স্বজনদের মিথ্যাচার

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট স্বামীকে নাইলনের দড়ি দিয়ে হত্যার দায়ে এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছে। ২০১৬ সালে ঘটা এই হত্যাকাণ্ডে নারীরা স্বামীর মৃত্যুকে মদ্যপানের জের বলে মিথ্যাচার করেছিল

তেলেঙ্গানা হাইকোর্টের বিচারপতি কে লক্ষ্মণ ও কে সুজানার সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার (৩ নভেম্বর) এক নারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন। এই নারী স্বামী কোমুরাইয়াকে ঘুমন্ত অবস্থায় নাইলনের দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার দায়ে দণ্ডিত হয়েছিলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য সিয়াসাত ডেইলির প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গৌরীর (আগুরলা লক্ষ্মী ওরফে) স্বামীকে নাইলনের দড়ি দিয়ে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট।
  • 📌 ২০১৬ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে স্বামীকে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করা হয়।
  • 📌 হত্যার পর স্বামীর মৃত্যুকে মদ্যপানের জের বলে মিথ্যাচার করে গৌরীর আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদেরকে বিভ্রান্ত করেন।
  • 📌 চিকিৎসা প্রতিবেদনে স্বামীর গলায় দড়ির দাগ এবং হাইয়েড হাড় ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়, যা শ্বাসরোধে মৃত্যুর প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • 📌 ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারা অনুসারে গৌরীরের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সাজা বহাল রাখেন আদালত।

📰 বিস্তারিত

গৌরীরের মামলায় বিচারিক আদালত আগে দণ্ডিত করেছিলেন। কিন্তু হাইকোর্টের বেঞ্চ সেই সাজাই বহাল রেখে বলেছেন, রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত প্রমাণগুলো পরস্পরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গৌরীরের স্বীকারোক্তি, হত্যায় ব্যবহৃত নাইলনের দড়ি উদ্ধার এবং আত্মীয়স্বজনদের বক্তব্য সবই আদালতের বিবেচনায় আসে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে স্বামী কোমুরাইয়াকে ঘুমন্ত অবস্থায় নাইলনের দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন গৌরীর। হত্যার পর তিনি আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদেরকে জানান, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে। তবে পরদিন সকালে গোসল করানোর সময় স্বামীর গলায় একটি দাগ দেখতে পান আত্মীয়স্বজনরা। এরপর বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় গৌরীর হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিকিৎসা প্রতিবেদনে স্বামীর গলায় দড়ির দাগ এবং হাইয়েড হাড় ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। এসব আলামত থেকে তার শ্বাসরোধে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত প্রমাণগুলো পরস্পরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং গৌরীরের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

"চিকিৎসা প্রতিবেদনেও শ্বাসরোধ করে হত্যার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। নিহতের গলায় দড়ির দাগ এবং হাইয়েড হাড় ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তেলেঙ্গানা, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গৌরীর (আগুরলা লক্ষ্মী ওরফে)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০২ (ভারতীয় দণ্ডবিধি ধারা), ২০১ (ভারতীয় দণ্ডবিধি ধারা), ১৮ জানুয়ারি ২০১৬

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖