📌 ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়। এই দিনটি বাংলাদেশের সংবিধান দিবস হিসেবে পালিত হয়। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা চারটি মূলনীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়
৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়। এই ঐতিহাসিক দিনটিকে বাংলাদেশের সংবিধান দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সংবিধান কার্যকর হয় একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসে। বাঙালির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এই সংবিধানে প্রতিফলিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি নির্ধারণে সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়
- 📌 সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে
- 📌 সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে ৩৪ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়
- 📌 কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন
- 📌 সংবিধানে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও ৭টি তফসিল অন্তর্ভুক্ত
- 📌 রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয় স্বাধীনতার পর। ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ পর্যালোচনা ও আলোচনার পর কমিটি সংবিধানের খসড়া প্রস্তুত করে। ৪ নভেম্বর গণপরিষদে এই খসড়া গৃহীত হয়। সংবিধানে রাষ্ট্রের কাঠামো, নাগরিকের মৌলিক অধিকার, সরকারের ক্ষমতা ও দায়িত্ব এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। এতে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা চারটি মূলনীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতি বছর ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস পালনের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের সাংবিধানিক যাত্রার ঐতিহাসিক গুরুত্ব স্মরণ করা হয়।
"বাঙালির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বাংলাদেশের সংবিধানে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. কামাল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৭২ (বছর), ৪ নভেম্বর (তারিখ), ৩৪ সদস্য (কমিটি), ১১ ভাগ (সংবিধান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!