📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্বব্যাংক প্রতিবেদনে উঠে আসে: বাংলাদেশে ৫ কোটি ৮০ লাখ কর্মী অনানুষ্ঠানিক খাতে, ৮৪% আয় কম

বিশ্বব্যাংক প্রতিবেদনে উঠে আসে: বাংলাদেশে ৫ কোটি ৮০ লাখ কর্মী অনানুষ্ঠানিক খাতে, ৮৪% আয় কম

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদনে দেখা গেছে বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪% অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছে। এদের মধ্যে ৬০% শিক্ষিত ব্যক্তি। অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের আয় আনুষ্ঠানিক খাতের তুলনায় ৪৫-৮৪% কম। সরকারি পদক্ষেপের অভাবের কারণে জনমিতিক সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থতার আশঙ্কা রয়েছে

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের কর্মসংস্থান পরিস্থিতির চিত্র আকর্ষণীয়ভাবে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ — প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ মানুষ — অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন। এদের মধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি শিক্ষিত ব্যক্তি, যারা আনুষ্ঠানিক চাকরি না পেয়ে অনানুষ্ঠানিক খাতে বাধ্য হয়ে নিযুক্ত হন। অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের আয় আনুষ্ঠানিক খাতের তুলনায় ৪৫ থেকে ৮৪ শতাংশ কম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ (৫ কোটি ৮০ লাখ) অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত
  • 📌 শিক্ষিত ব্যক্তিদের ৬০ শতাংশের বেশি অনানুষ্ঠানিক কাজে নিযুক্ত, আনুষ্ঠানিক খাতের তুলনায় ৪৫-৮৪% কম আয়
  • 📌 অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের আইনি সুরক্ষা ও নিয়োগপত্রের অভাব
  • 📌 ২০৫০ সালের মধ্যে কর্মসংস্থানের চেয়ে শ্রমের জোগান ১ কোটি ৩০ লাখ বেশি হতে পারে
  • 📌 বাংলাদেশে প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার মাত্র ৩৬ শতাংশ (দক্ষিণ এশিয়ার গড় ৬২ শতাংশ)
  • 📌 সরকারি বয়স্ক ভাতা মাসে মাত্র ৫০০ টাকা, মূল্যস্ফীতির কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে

📰 বিস্তারিত

বিশ্বব্যাংকের ‘ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ ইন সাউথ এশিয়া’ প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশের কর্মসংস্থান ও জনমিতিক চ্যালেঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশ্বব্যাংকের রিজিওনাল প্র্যাকটিস ডিরেক্টর জেম মেতে বলেছেন, অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের চাকরির নিয়োগপত্র থাকে না, ফলে আইনি সুরক্ষা ও নির্ধারিত মজুরিকাঠামোর অভাব রয়েছে। এছাড়া অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মসংস্থানের প্রবৃদ্ধির হারও কম, যা উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর তুলনায় অর্ধেক।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর হার ২০৪৫ সাল পর্যন্ত সর্বোচ্চ থাকবে, এরপর কমতে শুরু করবে। কিন্তু প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়বে। এ কারণে জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে বাংলাদেশের হাতে সময় আর বেশি নেই। তবে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুরক্ষায় প্রস্তুতি দুর্বল। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশে প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার মাত্র ৩৬ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ার গড় ৬২ শতাংশের তুলনায় অনেক কম।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘জনমিতির ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সরকার পুরো জীবনচক্রভিত্তিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ — সবার জন্য কর্মসূচি বিস্তৃত করছি।’ পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রবীণ জনসংখ্যা ৪ কোটি পৌঁছাবে। তাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা সরকারের লক্ষ্য।

"অর্থনীতিতে পর্যাপ্ত আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান তৈরি না হওয়ায় অনেকেই ছোট উদ্যোগে যুক্ত হচ্ছেন। ৪৫ থেকে ৭০ শতাংশ উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, বিকল্প চাকরি না পেয়ে এ ধরনের উদ্যোগ শুরু করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সোনারগাঁও, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেম মেতে (বিশ্বব্যাংক), জাহিদ হোসেন (সমাজকল্যাণমন্ত্রী), জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি (পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী), হোসেন জিল্লুর রহমান (পিপিআরসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৪%, ৫ কোটি ৮০ লাখ, ৬০%, ৪৫-৮৪%, ৩৬%, ৬২%, ১ কোটি ৩০ লাখ, ৫০০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖