📌 ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সাতটি যাত্রীবাহী বিমানে বোমা হামলার ভুয়া হুমকি দেওয়া হয়। তল্লাশিতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি, তবে বিমানগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আকাশপথের চলাচল ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এই হুমকি দেওয়া হতে পারে
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সাতটি যাত্রীবাহী বিমানে বোমা হামলার ভুয়া হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসব হুমকির পর বিমানগুলোতে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তীব্রতর করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই হুমকির পিছনে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ব্যক্তির হাত থাকতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সাতটি বিমানে ভুয়া বোমা হুমকি**: ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সাতটি যাত্রীবাহী বিমানে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুটি বিমান যুক্তরাজ্য থেকে রওনা দিয়েছিল।
- 📌 **তল্লাশিতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি**: ইতালির রোম, স্পেনের মুরসিয়া, পোল্যান্ডের ওয়ারশা, বুলগেরিয়ার সোফিয়া সহ বিভিন্ন বিমানবন্দরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি।
- 📌 **বিমানবাহিনী ও পুলিশের তৎপরতা**: ইতালির রোমে অবতরণকারী একটি বিমানকে অবতরণের আগেই বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান পাহারা দিতে আসে। পুলিশ ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল তল্লাশি চালায়।
- 📌 **বিমানবন্দর বন্ধের ঘটনা**: পোল্যান্ডের ওয়ারশা থেকে যাওয়ার কথা থাকা একটি বিমান লন্ডনের হিথরো থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর ছোট মডলিন বিমানবন্দরে অবতরণ করতে হয়। এ কারণে মডলিন বিমানবন্দর কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে হয়।
- 📌 **বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ**: যুক্তরাজ্য সরকার ঘটনাগুলোকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া হুমকি’ বলে অভিহিত করেছে। তবে উড়োজাহাজ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশপথের চলাচল ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এই হুমকি দেওয়া হতে পারে।
📰 বিস্তারিত
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সাতটি যাত্রীবাহী বিমানে বোমা হামলার ভুয়া হুমকি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুটি বিমান যুক্তরাজ্য থেকে রওনা দিয়েছিল। ইতালির ফিউমিচিনো বিমানবন্দর সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিন ও পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে ছেড়ে আসা রায়ানএয়ারের দুটি ফ্লাইট ইতালির রোমে অবতরণের পর তল্লাশি করা হয়। ডাবলিন থেকে আসা ফ্লাইটটিকে অবতরণের আগপর্যন্ত ইতালির বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান পাহারা দিয়ে নিয়ে আসে। অবতরণের পর পুলিশ ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল যাত্রী, লাগেজ ও বিমান পরীক্ষা করে। তবে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মুরসিয়ায় অবতরণ করা রায়ানএয়ারের একটি ফ্লাইটেও তল্লাশি চালানো হয়। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার থেকে আসা উড়োজাহাজটির এক যাত্রী জানান, অবতরণের আগে তাঁরা হুমকির বিষয়ে কিছুই জানতেন না। উড়োজাহাজটি থামার পর প্রায় ৩০ মিনিট রানওয়েতে অপেক্ষা করতে হয়। পরে দমকল, পুলিশ ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল উড়োজাহাজটি ঘিরে ফেলে। যাত্রীদের মালপত্র ভেতরে রেখেই পুলিশি পাহারায় সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে জানানো হয়, উড়োজাহাজটিকে লক্ষ্য করে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশা গামী দুটি ফ্লাইটও হুমকির কারণে প্রভাবিত হয়। এর একটি লন্ডনের হিথরো থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর ওয়ারশার শোপেন বিমানবন্দরের পরিবর্তে ছোট মডলিন বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ কারণে কিছু সময়ের জন্য মডলিন বিমানবন্দর বন্ধ রাখতে হয়। বুলগেরিয়ার পরিবহনমন্ত্রী জর্জি পিভ জানান, ইতালির বার্গামো ও ডাবলিন থেকে সোফিয়াগামী দুটি ফ্লাইটে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। অবতরণের পর তল্লাশি চালিয়ে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।
"বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন এয়ারলাইনসকে লক্ষ্য করে বিশ্বাসযোগ্যভাবে হুমকি দেওয়া হয়ে থাকলে এটি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিকল্পিত কাজ হতে পারে। আকাশপথের চলাচল ব্যাহত করাই এর উদ্দেশ্য হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইতালি (রোম), স্পেন (মুরসিয়া), যুক্তরাজ্য (ম্যানচেস্টার), পোল্যান্ড (ওয়ারশা, মডলিন), বুলগেরিয়া (সোফিয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ, পুলিশি, যাত্রীদের, যাত্রী, জর্জি পিভ (বুলগেরিয়ার পরিবহনমন্ত্রী), পল ম্যাসন (উড়োজাহাজ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ), মার্কো চ্যান (সাবেক পাইলট ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ মিনিট (বিমান রানওয়েতে অপেক্ষা), ১০টা ৩৫ মিনিট (ই-মেইল পাওয়ার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!