📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে নতুন ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবার পরিকল্পনা

তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে নতুন ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবার পরিকল্পনা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় গ্রিডে আগামীকাল যুক্ত হবে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের পাঁচটি নতুন কূপের মাধ্যমে মোট ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানান, নতুন গ্যাসের মজুত আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতীয় গ্রিডে আগামীকাল যুক্ত হবে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানান, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদের আরও চারটি কূপ থেকে মোট সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়িয়ে আমদানি-নির্ভরতা কমাতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আগামীকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) তিতাস-২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধন করবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। কূপটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত হলে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে।
  • 📌 তিতাস-২৮, ২৯, ৩০ ও কামতা-২ নম্বর কূপের খননকাজে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। তিতাস-২৮ কূপের গভীরতা প্রায় ১৩ হাজার ফুট।
  • 📌 তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজ চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে। বর্তমানে গভীরতা প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটার পৌঁছেছে। সফল হলে দৈনিক ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
  • 📌 তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ শেষ। আনুষঙ্গিক কাজ শেষ হলে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে উৎপাদনে যাবে। দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের আশা রয়েছে।
  • 📌 বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপের লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা ৪ হাজার ৫০০ মিটার। সফল হলে দৈনিক ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
  • 📌 তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের বর্তমান মজুত আনুমানিক ১.৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। তিতাস-৩১ কূপের মাধ্যমে আরও প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধনের পরপরই কূপটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমদানি-নির্ভরতার চাপ কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে।”

‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানান, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে। তিনি বলেন, “৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই কূপের সাথে তিতাস-২৯, ৩০ ও কামতা-২ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয়েছে। আগামীকাল তিতাস-২৮ উৎপাদনে যাবে, অন্য কূপগুলোর কাজও দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।”

বিজিএফসিএলের গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, তিতাস-৩১ নম্বর কূপের খননকাজ চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে। বর্তমানে গভীরতা প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটার পৌঁছেছে। তিনি বলেন, “গভীরতার কারণে কাজ সম্পন্ন করতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগছে। কোনো জটিলতা না দেখা গেলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার আশা রয়েছে। সফল হলে দৈনিক ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।”

তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ। বর্তমানে লগিংসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলছে। মাহমুদুল নবাব জানান, “এসব কাজ শেষ হলে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।”

বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কূপটির লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা ৪ হাজার ৫০০ মিটার। সফল হলে দৈনিক ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। তিতাস-৩১ কূপের মাধ্যমে নতুন গ্যাসের মজুত আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত যুক্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

"তিতাস-২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধনের পরপরই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে। এতে আমদানি-নির্ভরতার চাপ কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে।"
"তিতাস-৩১ নম্বর কূপের মাধ্যমে নতুন গ্যাসের মজুত আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত যুক্ত হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আশরাফুল আলম, মো. মাহমুদুল নবাব, প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট (তিতাস-২৮), সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট (মোট), ৮০০ কোটি টাকা (খনন ব্যয়), ১৩ হাজার ফুট (গভীরতা), ৪ হাজার ৯২০ মিটার (বর্তমান গভীরতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖