📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই ব্যবহার করে পরীক্ষায় জালিয়াতি: ছাত্রদল নেতা ও ডাকসু সদস্যকে শাস্তি

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই ব্যবহার করে পরীক্ষায় জালিয়াতি: ছাত্রদল নেতা ও ডাকসু সদস্যকে শাস্তি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই ব্যবহার করে পরীক্ষায় জালিয়াতি করার দায়ে ছাত্রদল নেতা ফাতহুন কারিব চৌধুরী ও ডাকসু নেতা মো. ফেরদাউসকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদেরকে পরীক্ষা থেকে বাদ দিয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পরীক্ষা হলে এআই ব্যবহার করে উত্তর লেখার অভিযোগে দুজন শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের ছাত্রদল সদস্য ফাতহুন কারিব চৌধুরী ও হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ডাকসু নেতা মো. ফেরদাউসকে শাস্তি প্রদান করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফাতহুন কারিব চৌধুরীমো. ফেরদাউসকে এআই ব্যবহার করে পরীক্ষায় জালিয়াতির দায়ে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 কারিব চৌধুরীকে ‘পরীক্ষা+২’ এবং ফেরদাউসকে ‘পরীক্ষা+১’ মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 কারিবের পরীক্ষা বাতিলসহ পরবর্তী দুটি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না, ফেরদাউসের সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা বাতিলসহ পরবর্তী একটি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।
  • 📌 কারিবের মোবাইল থেকে গুগল এআই ‘জেমিনি’ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার প্রমাণ পাওয়া যায়। ফেরদাউসের স্মার্টফোনে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করার চেষ্টা ধরা পড়ে।
  • 📌 শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায়।
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশে শাস্তি কার্যকর করা হয় ৭ সেপ্টেম্বর

📰 বিস্তারিত

গত ১১ জুন পরীক্ষা চলাকালে সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে ফাতহুন কারিব চৌধুরীকে পরীক্ষা হলের মাঝখানে মোবাইল ফোন রেখে এআই ব্যবহার করতে দেখা যায়। শিক্ষকদের দ্বারা তাঁর উত্তরপত্র জব্দ করা হয় এবং গুগল এআই ‘জেমিনি’ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার প্রমাণ পাওয়া যায়। তাঁর উত্তরপত্রে লেখা উত্তর জেমিনির উত্তরের সাথে হুবহু মিল পায়। অন্যদিকে, ১০৭ নম্বর কোর্সের রিটেক পরীক্ষা চলাকালে মো. ফেরদাউস শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে হল থেকে বের হন। পরে দেখা যায়, তিনি করিডরে গিয়ে এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন থেকে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেন। শিক্ষকদের দ্বারা তাঁকে ধরে ফেলা হয় এবং ফোনের সার্চ হিস্ট্রিতে পরীক্ষার প্রশ্ন অনুসন্ধানের প্রমাণ পাওয়া যায়।

উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৩১ আগস্ট তারিখের সিন্ডিকেট সভায় এই শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশ অনুযায়ী, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত আদেশে শাস্তি কার্যকর করা হয়। এই শাস্তি কার্যকর করার মাধ্যমে ঢাবিতে এআই ব্যবহার করে পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তিনির্ভর অসদুপায় ঠেকানোর বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এআই ব্যবহার করে উত্তর লেখার এই অভিনব জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তিনির্ভর অসদুপায় ঠেকানোর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে মোট ৬৪ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন অপরাধের দায়ে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

"পরীক্ষায় অসদুপায়সহ বিভিন্ন অপরাধে ঢাবির বিভিন্ন বিভাগ ও অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মোট ৬৪ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতহুন কারিব চৌধুরী, মো. ফেরদাউস, ড. হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী, অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ (১৮তম ব্যাচ), ২০২৪ শিক্ষাবর্ষ, ৩১ আগস্ট, ১১ জুন, ১০টা ১৭ মিনিট, ১০৭ নম্বর কোর্স, ৬৪ জন শিক্ষার্থী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖