📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিবিএসের তথ্য: ১০ মাসে সর্বনিম্ন ৮.২৬% মূল্যস্ফীতি, খাদ্য মূল্য ৭% নিচে নেমে আসে

বিবিএসের তথ্য: ১০ মাসে সর্বনিম্ন ৮.২৬% মূল্যস্ফীতি, খাদ্য মূল্য ৭% নিচে নেমে আসে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি কমতে থাকায় আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.২৬% নেমে এসেছে, যা ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭% নিচে চলে গেছে। সরকারের নীতিগত পদক্ষেপের কারণে মূল্যচাপ কিছুটা শিথিল হচ্ছে

বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির প্রবণতা ইতিবাচক দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, টানা তৃতীয় মাসের মতো আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে। এটি গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতির রেকর্ড। খাদ্য মূল্যস্ফীতিও ৭ শতাংশের নিচে চলে গেছে, যা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যচাপ কমাতে সহায়তা করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টানা তিন মাস ধরে কমে গত আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.২৬% — ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন
  • 📌 খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.০২% — জুলাইয়ের ৭.১৬% থেকে কমে গেছে
  • 📌 জুনে ৯.১৬% থেকে আগস্টে ৮.২৬% — ১.১৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে
  • 📌 গ্রামে মূল্যস্ফীতি ৮.৩১% (জুলাই: ৮.৩৬%), শহরে ৮.২০% (জুলাই: ৮.২৪%)
  • 📌 সরকারের ৬০টি পণ্যের উৎস কর কমানো ও নীতিগত পদক্ষেপের কারণে মূল্যচাপ কমছে

📰 বিস্তারিত

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছেছিল। এরপর পর্যায়ক্রমে তা কমতে থাকে। জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে আগস্টে তা ০ দশমিক ০৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে আসে। গত বছরের আগস্টে এই হার ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির নিম্নমুখী প্রবণতা খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার গতি কমে আসার কারণে ঘটছে।

বিবিএসের তথ্য মতে, আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়ায় ৭ দশমিক ০২ শতাংশ। গত জুলাইয়ে এই হার ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত বছরের আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। সরকারের নীতিগত ও আর্থিক পদক্ষেপের কারণে বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতির পাশাপাশি মূল্যচাপ কমতে শুরু করেছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎস কর কমানো হয়েছে। এছাড়াও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ওএমএস এবং টিসিবির কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। টিসিবি ভর্তুকি ছাড়া তুলনামূলক কম দামে আমদানিকৃত নিত্যপণ্য বাজারে সরবরাহের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

সরকারের লক্ষ্য ছিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে। আগস্টের পরিসংখ্যান সেই লক্ষ্যের দিকে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখাচ্ছে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি কমার অর্থ পণ্যের মূল দাম কমে যাওয়া নয়, বরং আগের তুলনায় মূল্যবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়া। ফলে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই প্রকৃত মূল্যচাপ আরও কমিয়ে আনাই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

"মূল্যস্ফীতির নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই প্রকৃত মূল্যচাপ কমাতে হবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাধারণ মানুষ, সরকারি কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮.২৬%, ৭.০২%, ৯.৪২%, ১.১৬ শতাংশীয় পয়েন্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖