📌 বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প ও সংস্কৃতিকে সমকালীন লাক্সারি ফ্যাশনে রূপান্তরিত করতে নতুন যাত্রা শুরু করেছে দেশীয় ব্র্যান্ড হাউস অব আহমেদ। গুলশান-২-এর ভেঞ্চুরা মলে তাদের নতুন ৪ হাজার ৫০০ বর্গফুটের আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের নিজস্ব কারুশিল্প ও সংস্কৃতিকে বিশ্বমানের লাক্সারি ফ্যাশনের ভাষায় নতুনভাবে উপস্থাপনের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘হাউস অব আহমেদ’। রাজধানীর গুলশান-২-এর ভেঞ্চুরা মলে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ব্র্যান্ডটির নতুন আউটলেট। এই নতুন ঠিকানা শুধু বিক্রয়কেন্দ্র নয়; এটি তাদের নকশা দর্শন ও ক্রেতা অভিজ্ঞতাকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস হিসেবে চিহ্নিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশীয় কারুশিল্পকে সমকালীন লাক্সারি ফ্যাশনে রূপান্তরের লক্ষ্যে হাউস অব আহমেদের নতুন যাত্রা ‘চ্যাপ্টার টু’
- 📌 গুলশান-২-এর ভেঞ্চুরা মলে ৪ হাজার ৫০০ বর্গফুটের নতুন আউটলেট উদ্বোধন
- 📌 ব্র্যান্ডটির সহপ্রতিষ্ঠাতা আহমেদ তুহিন রেজা ও তানজিলা এলমা নতুন পরিকল্পনা তুলে ধরেন
- 📌 নতুন পরিসরে রয়েছে কতুর, ব্রাইডাল, বেসপোক ও ফ্রাইডে সিগনেচার কালেকশন
- 📌 ভবিষ্যতে বিশেষ ও লিমিটেড এডিশনের পোশাক নিয়ে আসার পরিকল্পনা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পকে সমকালীন লাক্সারি ফ্যাশনের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে হাউস অব আহমেদ। গুলশান-২-এর ভেঞ্চুরা মলে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ব্র্যান্ডটির নতুন আউটলেট। এই নতুন ঠিকানা শুধু বিক্রয়কেন্দ্র নয়; এটি তাদের নকশা দর্শন ও ক্রেতা অভিজ্ঞতাকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস হিসেবে চিহ্নিত।
এই যাত্রার নাম দেওয়া হয়েছে ‘চ্যাপ্টার টু’। ব্র্যান্ডটির সহপ্রতিষ্ঠাতা আহমেদ তুহিন রেজা ও তানজিলা এলমা নতুন পরিকল্পনা তুলে ধরতে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে জানান, এই নতুন যাত্রা শুধু পুনর্গঠনের নয়; এটি রিইমাজিনিং-এরও। অর্থাৎ যা ছিল, তাকে শুধু ফিরিয়ে আনা নয়; বরং অভিজ্ঞতা থেকে শেখা ও ভবিষ্যতের জন্য আরও শক্তিশালী ভাবনা তৈরি করা।
নতুন আউটলেটে রয়েছে ভিন্ন ধরনের অথচ পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত অভিজ্ঞতা। একদিকে বিভিন্ন কালেকশন দেখার সুযোগ, অন্যদিকে কতুর, ব্রাইডাল ও বেসপোক পোশাক নিয়ে পরামর্শের জন্য ব্যক্তিগত পরিসর। অন্দরসজ্জাতেও প্রতিফলিত হয়েছে হাউস অব আহমেদের একই দর্শন। পরিশীলিত, উষ্ণ ও মার্জিত পরিবেশের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে পোশাকের কারুশিল্পকে।
"চ্যাপ্টার টু আমাদের জন্য দারুণ ব্যক্তিগত একটি অধ্যায়। একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমাদের যেতে হয়েছে; সময় আমাদের এমনভাবে পরীক্ষা নিয়েছে, যা আমরা কখনো ভাবিনি। তবে একই সঙ্গে এটি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছে, কেন আমরা প্রথমবার হাউস অব আহমেদ শুরু করেছিলাম। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে এমন প্রতিভাধর কারুশিল্পী ও কারুশিল্প আছে, আছে আমাদের হেরিটেজ, যা দিয়ে বিশ্বের যেকোনো জায়গায় গর্বের সঙ্গে লাক্সারি ফ্যাশন তৈরি করা সম্ভব। আমরা আবারও এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কারণ আমরা সেই স্বপ্নে বিশ্বাস করি। চ্যাপ্টার টু আমাদের আগের জায়গায় ফিরে যাওয়ার গল্প নয়; বরং আরও স্বচ্ছ ভাবনা, আরও দৃঢ় সংকল্প এবং আরও বড় স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার গল্প।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলশান-২, ভেঞ্চুরা মল, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আহমেদ তুহিন রেজা, তানজিলা এলমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার ৫০০ বর্গফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!