📌 সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলহামুদি বাংলাদেশে আত্মসাৎ অর্থের শেয়ার বাজেয়াপ্ত আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অনুরোধ করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, মাসাদ ২০০৫-২০১২ সালে সিইও থাকাকালীন এক বিলিয়ন ডলার পাচার করে বাংলাদেশে তিনটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছেন
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলহামুদি বাংলাদেশে আত্মসাৎ অর্থের শেয়ার বাজেয়াপ্ত আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অনুরোধ করেছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে ঢাকার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সাক্ষাতকালে তিনি এই অনুরোধ জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইউএই রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলহামুদি বাংলাদেশে আত্মসাৎ অর্থের শেয়ার বাজেয়াপ্ত আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অনুরোধ করেছেন।
- 📌 মাসাদ ২০০৫-২০১২ সালে রাস আল-খাইমাহ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির সিইও থাকাকালীন এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ পাচার করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছেন।
- 📌 বাংলাদেশে তিনটি কোম্পানিতে তার শেয়ার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে: স্টার সিরামিকস, স্টার পরসেলিন ও রাকিন ডেভেলপমেন্ট।
- 📌 ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকার আদালত শেয়ার বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছিল, কিন্তু ২০২১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আপিল গ্রহণ করা হয়।
- 📌 ৯ আগস্ট হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ আপিল কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ব্যবসায়ী খাতের মাসাদ রাস আল-খাইমাহ ইনভেস্টমেন্ট অথরিটির সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ছিলেন। ২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি এই পদে ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দায়িত্বে থাকাকালীন সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থ পাচারের চক্র পরিচালনা করেছেন।
সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলহামুদি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে বলেন, “আমাদের পক্ষ থেকে ইউএইর কাছে সহযোগিতার অনুরোধ করা হয়েছে। বিশেষত, আত্মসাৎ অর্থের শেয়ার বাজেয়াপ্ত আপিল দ্রুত শুনানি ও নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা চাই।” অ্যাটর্নি জেনারেলও ইউএইর কাছে পারস্পরিক আইনি সহযোগিতা চান।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ওসমান চৌধুরী জানান, “মাসাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ পাচার করেছেন। বাংলাদেশে তিনটি কোম্পানিতে তার বিনিয়োগ রয়েছে: স্টার সিরামিকস লিমিটেড, স্টার পরসেলিন লিমিটেড ও রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। রাকিন ডেভেলপমেন্টে তার নিজের নামে শেয়ার রয়েছে, বাকি দুটি কোম্পানিতে তার গড়া বিদেশি কোম্পানির বিনিয়োগ রয়েছে।”
"আমাদের পক্ষ থেকে আমি রাষ্ট্রদূতকে বলেছি যে সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইউএইকে এবং আরএআইএকে সহযোগিতার জন্য আমাদের যে উদ্যোগ, তা অব্যাহত থাকবে এবং আরও গতিশীল হবে।"
নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১৪ মে ইউএইর কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সরকারের কাছে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির আওতায় সহযোগিতা চেয়েছিল। তাদের অনুরোধ ছিল, বাংলাদেশে মাসাদের বিনিয়োগ করা শেয়ারগুলো বাজেয়াপ্ত করে ইউএইর মনোনীত প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে আদালতের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। ২০২১ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকার আদালত শেয়ারগুলো বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আলহামুদি (ইউএই রাষ্ট্রদূত), মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল (অ্যাটর্নি জেনারেল), মাসাদ (ব্যবসায়ী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা:
- ১৪ মে ২০১৮: ইউএইর সহযোগিতা অনুরোধ
- ৪ জানুয়ারি ২০২১: আদালত শেয়ার বাজেয়াপ্তের আদেশ
- ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১: হাইকোর্টে আপিল গ্রহণ
- ৯ আগস্ট ২০২৬: আপিল কার্যতালিকা থেকে বাদ
- ৬ কোটি ৫৩ লাখ ৩৩ হাজার শেয়ার: স্টার সিরামিকস লিমিটেডে
- ২ কোটি ৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ শেয়ার: স্টার পরসেলিন লিমিটেডে
- ৪ কোটি ৪ লাখ ৭১ হাজার ৬৮০ শেয়ার: রাকিন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!