📌 বিবিএসের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.২২% দাঁড়িয়েছে, যা আগস্টের তুলনায় ০.২০% বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানি দাম বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে আগামী মাসেও মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে
সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.২২% দাঁড়িয়েছে, যা আগস্টের তুলনায় ০.২০% বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। টানা দুই মাসের কমার পর আবারও মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে গেছে। সেপ্টেম্বর মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৮.৩৪%। আগস্ট ও জুলাই মাসে এর হার ছিল যথাক্রমে ৮.২৬% ও ৮.৩২%।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়ায় ৭.২২% (আগস্টে ছিল ৭.০২%)
- 📌 খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৯.৩০% (আগস্টে ৯.৩২%)
- 📌 গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ৮.৩৮% (শহরে ৮.২৬%)
- 📌 রেস্তোরাঁ ও হোটেল খাতে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ ১৩.২৬%
- 📌 জাতীয় গড় মজুরি বেড়েছে ৭.৯০% (আগস্টে ৮.০৫%)
- 📌 অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বলেন, জ্বালানি দাম বৃদ্ধির কারণে আগামী মাসেও মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে
- 📌 এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে নির্ধারণ করলেও বিক্রেতারা অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করছেন
📰 বিস্তারিত
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭.২২% দাঁড়িয়েছে, যা আগস্টের তুলনায় ০.২০% বেশি। গত বছরের একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭.৬৪%। অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৯.৩০% হয়েছে। আগস্টে এর হার ছিল ৯.৩২%। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.৯৮%।
সর্বশেষ ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বর শেষে দাঁড়িয়েছে ৮.৬৫%। অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বলেন, “৭০০ পণ্যের দামের তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি নির্ধারণ করা হয়। এখানে মার্কেট শেয়ার সবচেয়ে বেশি চাল-ডালসহ কিছু পণ্যের। বেশ কিছুদিন ধরে এসব পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতি এখনো ৮-৮.৫ শতাংশে রয়েছে। তার চেয়ে নিচে নামার সম্ভাবনাও কম।”
অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক আরও বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়বে আগামী মাসের হিসাবে। এছাড়াও সরকারের ব্যয় বেড়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং রিজার্ভে ঘাটতি রয়েছে। তিনি বলেন, সরকার আগামী দিনে আমদানি বৃদ্ধি করে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়ালে মূল্যস্ফীতি কমে আসবে বলে আশা করা যায়।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সিলিন্ডারজাত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়ে নির্ধারণ করলেও বিক্রেতারা আগের মতোই অতিরিক্ত দামে গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রি করছেন। ব্যবসায়ীদের এই অতিমুনাফায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্রেতারা।
"৭০০ পণ্যের দামের তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি নির্ধারণ করা হয়। এখানে মার্কেট শেয়ার সবচেয়ে বেশি চাল-ডালসহ কিছু পণ্যের। বেশ কিছুদিন ধরে এসব পণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতি এখনো ৮-৮.৫ শতাংশে রয়েছে। তার চেয়ে নিচে নামার সম্ভাবনাও কম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (গ্রামাঞ্চল ও শহর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক (র্যাপিড চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭.২২%, ৮.৩৪%, ৭.০২%, ৯.৩০%, ৮.৩৮%, ১৩.২৬%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!