📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সঞ্চয়পত্রের চাহিদা ৫৭% বৃদ্ধি: জুলাই-আগস্টে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ

সঞ্চয়পত্রের চাহিদা ৫৭% বৃদ্ধি: জুলাই-আগস্টে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ৫৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাই-আগস্টে মোট ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংকিং খাতের অনিশ্চয়তা ও সঞ্চয়পত্রের নিরাপদ সুবিধা এই বৃদ্ধির কারণ

চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) শুরুতেই সঞ্চয়পত্রের বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে মোট ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৯১ কোটি টাকা বা প্রায় ৫৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জুলাই-আগস্টে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ৫৭% বৃদ্ধি পেয়েছে — মোট ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা
  • 📌 জুলাই মাসে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা বিক্রি, আগের অর্থবছরের তুলনায় ৫৯.২% বৃদ্ধি
  • 📌 আগস্টে ৪০৩ কোটি টাকা বিক্রি, আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪৫% বৃদ্ধি
  • 📌 অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেছেন: ‘ব্যাংকিং খাতের অনিশ্চয়তা ও মূল্যস্ফীতির কারণে সঞ্চয়পত্র নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে’
  • 📌 সঞ্চয়পত্রে মূলধন হারানোর ঝুঁকি নেই, সহজে নগদায়ন ও তুলনামূলক ভালো মুনাফা মূল কারণ

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা হয়েছে। এর মধ্যে জুলাই মাসে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা এবং আগস্টে ৪০৩ কোটি টাকা বিক্রি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে জুলাই মাসে বিক্রি হয়েছিল মাত্র ১ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা এবং আগস্টে ২৭৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ জুলাই মাসে বিক্রি ৭৬৬ কোটি টাকা বা ৫৯.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে আগস্টে ১২৫ কোটি টাকা বা ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকসংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাংকিং খাতের অনিশ্চয়তা, আমানতের সুদহার এবং সঞ্চয়পত্রের তুলনামূলক আকর্ষণীয় মুনাফা এই বৃদ্ধির মূল কারণ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সঞ্চয় কমলেও, মানুষ যে সামান্য অর্থ জমাতে পারছেন, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অধিকাংশই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করছেন। ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, ‘দেশের ব্যাংকিং খাত এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়ে ওঠেনি। ফলে আমানতকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও আস্থার ঘাটতি রয়ে গেছে। সঞ্চয়পত্রে মূলধন হারানোর ঝুঁকি নেই, প্রয়োজন হলে সহজেই নগদায়ন করা যায় এবং মুনাফার হারও তুলনামূলক ভালো।’

তিনি আরও বলেন, বাজারে বিনিয়োগের বিকল্প সীমিত থাকায় সঞ্চয়পত্রের চাহিদা বাড়ছে। তবে তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি আগস্টের তুলনায় অনেক বেশি। জুলাই মাসের বিক্রির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা, যেখানে আগস্টে মাত্র ৪০৩ কোটি টাকা বিক্রি হয়েছে।

"দেশের ব্যাংকিং খাত এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়ে ওঠেনি। ফলে আমানতকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও আস্থার ঘাটতি রয়ে গেছে। সঞ্চয়পত্রে মূলধন হারানোর ঝুঁকি নেই, প্রয়োজন হলে সহজেই নগদায়ন করা যায়, আবার মুনাফার হারও তুলনামূলক ভালো। সব মিলিয়ে মানুষের আগ্রহ আবার বাড়তে শুরু করেছে।"

— ড. মুস্তফা কে মুজেরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মুস্তফা কে মুজেরী, অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭%, ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা, ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা, ৪০৩ কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖