📌 বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করলেও বিক্রেতারা তা মানছেন না। ক্রেতাদের পকেট কাটার জন্য কারসাজি চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে সরকার তদারকি শুরু করলেও কারসাজির মূল দায়িত্বী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শনাক্ত হয়নি
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করলেও বিক্রেতারা তা মানছেন না। ক্রেতাদের পকেট কাটার জন্য কারসাজি চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। সরকারের তদারকি শুরু হওয়ার পরেও এলপিজি গ্যাসের সংকট ও দামবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ক্রেতারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছেন কারসাজির কারণে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিইআরসি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করে নির্ধারণ করলেও খুচরা বিক্রেতারা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন।
- 📌 সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া এলপিজি সংকটে সরকার তদারকি শুরু করলেও কারসাজির মূল দায়িত্বী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শনাক্ত হয়নি।
- 📌 আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ পরিমাণ এলপিজি আমদানি হলেও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানো হয়েছে।
- 📌 ৪ অক্টোবর বিইআরসি এলপিজি গ্যাসের দাম কেজিতে ২১ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করে নির্ধারণ করলেও তা কার্যকর হয়নি।
- 📌 ৩২টি কোম্পানি সরকারের কাছ থেকে এলপিজি আমদানি ও সিলিন্ডারজাত করার লাইসেন্স নিয়েছে, কিন্তু কারসাজির মূল দায়িত্বী প্রতিষ্ঠান শনাক্ত হয়নি।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করলেও বিক্রেতারা তা মানছেন না। ক্রেতাদের পকেট কাটার জন্য কারসাজি চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে সরকার তদারকি শুরু করলেও কারসাজির মূল দায়িত্বী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শনাক্ত হয়নি।
বিইআরসি সেপ্টেম্বরে ১২ কেজি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। কিন্তু সংকটের অজুহাতে বিক্রেতারা ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন। সরকার ৪ অক্টোবর এলপিজি গ্যাসের দাম কেজিতে ২১ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করে নির্ধারণ করলেও খুচরা পর্যায়ে তা কার্যকর হয়নি। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্রেতারা ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।
ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, সংকটের জন্য দায়ী কোম্পানিগুলো। আর কোম্পানিগুলো দায়ী করে ডিলার ও বিক্রেতাদের। কিন্তু কারসাজির মূল দায়িত্বী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শনাক্ত হয়নি। বিইআরসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি এলপিজি আমদানি হয়েছে। তবুও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানো হয়েছে।
বিইআরসি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছে এবং নিজস্ব অনুসন্ধানও চালাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, আগস্টে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ টন এবং সেপ্টেম্বরে ১ লাখ ৫৬ হাজার ১২৯ টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। বর্তমানে দেশে এলপিজির বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৫ লাখ টন, মাসে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টন। দিনে ৫ হাজার টন বা ৫০ লাখ কেজি এলপিজি বিক্রি হয়।
"আমদানি, পরিবেশক কিংবা ডিলার—কোন পর্যায়ে অনিয়ম ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।" — বিইআরসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ভোলা, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রেতারা, বিক্রেতারা, ব্যবসায়ীরা, বিইআরসির কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কেজি, ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, ২ হাজার ৫০০ টাকা, ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ টন, ১৫ লাখ টন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!