📌 গ্যাস সংকটে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে। প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কম হওয়ায় কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শ্রমিকদের আয় কমে যাওয়ায় পরিবারের অর্থনৈতিক সংকট তীব্র
নরসিংদীর শিল্পাঞ্চলে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গেছে। প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম হওয়ায় কারখানাগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। মাধবদী, চৌয়ালা ও শেখেরচর এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন ধরনের কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উৎপাদন কমেছে ৭০ শতাংশ, কারখানা বন্ধ রাখা হয়েছে কয়েকটি এলাকায়
- 📌 গ্যাস সরবরাহ প্রয়োজনের তুলনায় ৬০-৮০ শতাংশ কম, অনেক এলাকায় চাপ মাত্র ৩ পিএসআই
- 📌 ছোট কারখানায় প্রয়োজন ১৫ পিএসআই গ্যাস চাপ, পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৩ পিএসআই
- 📌 বড় ডাইং মিলে প্রয়োজন ৫০ পিএসআই, পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২০ পিএসআই
- 📌 ২০ দিন ধরে আবদুল্লাহ আল মামুনের কারখানা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে
- 📌 সংকট দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতি ও রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের
📰 বিস্তারিত
গ্যাস সংকটের কারণে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র আবদুল্লাহ আল-মামুন জানান, গ্যাসনির্ভর শিল্পগুলোর উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিল্পমালিকেরা জানান, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
ভূঁইয়া টেক্সটাইল অ্যান্ড ক্যালেন্ডার মিলস লিমিটেডের পরিচালক আনিসুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সরকারকে দ্রুত সংকট সমাধানের জন্য দিকনির্দেশনা দিতে হবে। নরসিংদী টেক্সটাইল, ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, সংকট দ্রুত না কাটলে শ্রমিকদের বেতন ও গ্যাস বিল পরিশোধ করা সম্ভব হবে না।
চৌয়ালা এলাকার শ্রমিক সাগর জানান, গ্যাস না থাকায় কাজ করতে পারছেন না। তিনি বলেন, ‘পরিবারে একাই রোজগার করি। এভাবে চলতে থাকলে পরিবারকে খাওয়াব কীভাবে?’ আবেদ টেক্সটাইল মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, তাঁদের কারখানার উৎপাদন ২০ দিন ধরে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
‘গ্যাসের সংকট দ্রুত সমাধান না হলে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের ক্ষতি হবে।’ — আব্দুল মোমেন মোল্লা, নরসিংদী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নরসিংদী জেলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল-মামুন, আনিসুর রহমান ভূঁইয়া, নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ, ৬০ শতাংশ, ৮০ শতাংশ, ১৫ পিএসআই, ৩ পিএসআই, ৫০ পিএসআই, ২০ পিএসআই, ২০ দিন, ৩৬৫টি, ২৭ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!