📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কিশোরগঞ্জে সারের অভাব: চাষিরা বাড়তি দামে সার কিনতে বাধ্য, ফলন কমার শঙ্কা

কিশোরগঞ্জে সারের অভাব: চাষিরা বাড়তি দামে সার কিনতে বাধ্য, ফলন কমার শঙ্কা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জে আমন মৌসুমে সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চাষিরা নিয়মিত দামে সার না পেয়ে বাড়তি মূল্যে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। জেলা কৃষি অধিদপ্তর সারের সংকট অস্বীকার করলেও স্থানীয় ডিলার ও কৃষকেরা জানাচ্ছেন সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র

আমন মৌসুম শুরু হওয়ার পরও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সারের তীব্র সংকট বিরাজ করছে। চাষিরা জমি প্রস্তুত করলেও নিয়মিত দামে সার না পেয়ে বাড়তি মূল্যে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয় ডিলাররা জানিয়েছেন, বিসিআইসি ও বিএডিসি থেকে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ না পাওয়ায় তারা নিজেদের দোকানে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কিশোরগঞ্জের জয়কা ইউনিয়নের বালিয়াবাড়ি এলাকায় ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করছেন কৃষকেরা
  • 📌 আব্দুল মান্নান (৬৬) নামের এক কৃষক জানান, দুই দিন ধরে সার না পেয়ে তিনি জমি রোপণ করতে পারছেন না
  • 📌 বারঘরিয়া ইউনিয়নের চাতল বাজারের ডিলার আসাদুজ্জামান রিপনের দোকানে ইউরিয়া সার বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা কেজি দরে, যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য ২৭ টাকা
  • 📌 জয়নাল মিয়া (৫২) নামের এক কৃষক জানান, সার সংকটের কারণে তাকে ফলন কম হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন
  • 📌 জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাদিকুর রহমান জানান, জেলায় সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে

📰 বিস্তারিত

কিশোরগঞ্জ জেলায় আমন মৌসুম শুরু হলেও সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কৃষকেরা জানিয়েছেন, নিয়মিত দামে সার না পেয়ে তারা বাড়তি মূল্যে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। জয়কা ইউনিয়নের বালিয়াবাড়ি এলাকায় ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করছেন কৃষকেরা। সেখানে কথা হয় আব্দুল মান্নান (৬৬) নামের এক কৃষকের সঙ্গে। তিনি জানান, দুই দিন ধরে সার না পেয়ে তিনি জমি রোপণ করতে পারছেন না। তার মতে, সার সংকটের কারণে তাকে ফলন কম হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।

বারঘরিয়া ইউনিয়নের চাতল বাজারের ডিলার আসাদুজ্জামান রিপনের দোকানে ইউরিয়া সার বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা কেজি দরে, যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য ২৭ টাকা। একই দোকানে ডিএপি ও টিএসপি সার বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে, যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য যথাক্রমে ২১ ও ২৭ টাকা। এমওপি সার বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকা কেজি দরে, যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য ২০ টাকা।

নোয়াবাদ ইউনিয়নের ভাঙ্গাখালী গ্রামের জয়নাল মিয়া (৫২) নামের এক কৃষক জানান, তিনি দুই বস্তা সারের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সার কিনতে পারছেন না। তার মতে, সার সংকটের কারণে তাকে ফলন কম হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। একই অবস্থা জেলার পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী ও হোসেনপুর উপজেলায়ও দেখা যাচ্ছে।

"দুই একর জমিতে আমি এবার আমন আবাদ করব। এর মধ্যে এক একর জমি সার ছাড়াই রোপণ করে ফেলেছি। বাকি এক একর জমি প্রস্তুত করে রেখেছি রোপণের জন্য। কিন্তু সার পাচ্ছি না। সারের দোকানে গেলে দুই-তিন কেজি করে সার দিতে চায়, তাও আবার দাম বেশি চায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল মান্নান, জয়নাল মিয়া, আসাদুজ্জামান রিপন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ইউরিয়া সার ৩৫ টাকা (সরকারি মূল্য ২৭ টাকা), ডিএপি ৩০-৩৫ টাকা (সরকারি মূল্য ২১ টাকা), টিএসপি ৩০-৩৫ টাকা (সরকারি মূল্য ২৭ টাকা), এমওপি ২২ টাকা (সরকারি মূল্য ২০ টাকা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖